পেনশন ঘুষ দিতে অস্বীকার করা হয়েছে

বন্ধুর বাবা পেশায় একজন শিক্ষক ছিলেন অবসর হয়েছে এখন নাকি কাগজপত্র সবকিছু প্রক্রিয়ার জন্য প্রতিনিয়ত কম বেশি টাকা ঘুষ দিতে হয় এবং টাকা না দিয়ে কাজ করা যায় না,আগে টাকা তারপর কাজ বন্ধুর মুখ থেকে কথাগুলো শুনে খারাপ লাগলো সে যখন বললো সুদে টাকা এনে অফিসে টাকা দিতে হয় তখন খুব এই হতাশা লাগে,একজন শিক্ষক এতো বছর নিঃস্বার্থভাবে কাজ করছে এখন তার প্রাপ্য টাকা পেতে ঘুষ দিতে হচ্ছে, এ কেমন দেশ,মাঝেমধ্যে মনে হয় দেশের সবাই ঘুষখোর,অনুভূতি এখানে বলতে ভালো লাগছে। বি:দ্র: এই অফিসটি হচ্ছে বরিশাল জেলার গৌরনদী অফিস,এখানে একটা চক্র তৈরি হয়েছে যারা আর্থিক লেনদেন ছাড়া কাজ করে না এবং ওখানের ছোট বড় অনেক কর্মচারী -কর্মকর্তা জড়িত আছে।

বিবরণ
টাকার পরিমাণ ৳১,০০,০০০
যে কাজের জন্য পেনশন
দপ্তর শিক্ষা অফিস
বিভাগ বরিশাল
থানা / উপজেলা বরিশাল,গৌরনদী,বরিশাল
রিপোর্টের তারিখ ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
কতজন দেখেছেন ১ বার
এই দপ্তরের সব রিপোর্ট
মন্তব্য

মন্তব্য

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।

মন্তব্য সবাই দেখতে পাবে। নাম না দিলে বেনামী হিসেবেই থাকবে। কারও নাম, ঠিকানা বা ফোন নম্বর লিখবেন না।

একই দপ্তরের আলোচিত রিপোর্ট

শিক্ষা অফিস

শিক্ষক কল্যাণ ট্রাস্ট এর চিকিৎসা ভাতা

সরকারি ১৩ থেকে ২০ গ্রেডের কর্মচারীরা বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যাণ বোর্ড বিভাগীয় অফিস থেকে আবেদন করলে শিক্ষা সহায়তা ও চিকিৎসা সহায়তা ভাতা পেয়ে থাকেন। আমাদের কাহারোল উপজেলা, দিনাজপুরে প্রাথমিক শিক্ষা অফিস, একজন প্রধান শিক্ষক, কর্মচারী কল্যাণ বোর্ড এর বাস হেলপার এবং একজন অফিস সহকারী মিলে ঘুষ এর বাণিজ্য গড়ে তুলেছেন।

ঘুষ দিইনি
Kaharole ৳২.০ হাজার
২৫ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
শিক্ষা অফিস

New Mpo file

এমপিও ভুক্ত মাধ্যমিক স্কুলের নতুন এমপিও ভুক্ত করার জন্য ফাইল উপজেলায় পাঠানোর জন্য টাকা দিতে হবে। না দিলে ফাইল ছাড়া হবে না। দিতে বাধ্য হয়েছি।না দিলে আমার ফাইল ডান হবে না আর বেতনও হবে না,এখানে নিরুপায়।কিভাবে এর সাথে লড়াই করবো।

ঘুষ দিয়েছি
Jhalokathi ৳৫.০ হাজার
৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মন্তব্য
শিক্ষা অফিস

শিক্ষক নিয়োগ

খুরশিদ মহল জুনিয়র হাই স্কুল, গফরগাও একটি নাম মাত্র স্কুল, একটি টিনের ঘর বানিয়ে এমপিওভুক্ত করে নামমাত্র স্কুল দিয়ে শিক্ষক নিয়োগ দিয়ে সরকারি টাকা খাচ্ছে। স্কুল কমিটি করে, শিক্ষক মহল মিলে সিন্ডিকেট করে নতুন শিক্ষক এনটিআরসি নিয়োগ দিলেও তারা সবাই মিলে টাকা খায়।

ঘুষ দিয়েছি
গফরগাও ৳৩৬.০ হাজার
৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মন্তব্য
শিক্ষা অফিস

শিক্ষা

ঢাবি অধিভুক্ত ময়মনসিংহ ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে বরাবরই প্রতি সেমিস্টারে সাধারণ শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে নির্ধারিত অর্থের থেকে বেশি অর্থ আদায় করে। কলেজটিতে কোনো পরিবহন না থাকা স্বত্বেও শিক্ষার্থীদের কাছে থেকে পরিবহন ভাড়া নেওয়া হয়। হলের ভাড়া বাবদ ২০০ টাকা নেওয়ার কথা থাকলেও ৪০০ নেয়। কলেজে সম্পূর্ণ মেধার ভিত্তিতে শিক্ষার্থী নির্বাচনের নিয়ম থাকা সত্ত্বেও, অর্থের বিনিময়ে হুমায়ূন কবির ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ নামক একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের মেধাতালিকাভুক্ত শিক্ষার্থীদের সাথে একই ক্লাসে পড়ানো হয়। কলেজটির গভার্নিং বডি এবং শিক্ষকরা শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে প্রতিনিয়ত সিস্টেমেটিকভাবে ঘুষ নেয়। (সংযুক্ত অর্থের সংখ্যাটি প্রতি ৬ মাসের অতিরিক্ত আদায়কৃত অর্থে পরিমাণ নির্দেশ করে)

ঘুষ দিয়েছি
রহমতপুর বাইপাস, সদর, ময়মনসিংহ ৳৩০.০০ লাখ
২৫ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য