সমাধান
টাকা দিলে সমাধান করে দিবে নাতো জমি পাব না, জোর করে দখল করে নিচ্ছে তাও সমাধান করে দিবে না।
আমার বর্তমানে জমি খারিজের দুইটি আবেদন রংপুর মহানগর সার্কেল অফিসে পেন্ডিং অবস্থায় রয়েছে। যদি ৪০০০ টাকায় ঘুষ দিয়ে দেই তাহলে কাজ দু-তিন দিনের মধ্যে হয়ে যাবে, আমি টাকা দেয়নি বলে আমার কাজটি প্রায় চার মাস ধরে পেন্ডিং রয়েছে। কি আর করা অপেক্ষায় আছি। আবার বেশিদিন পেন্ডিং হয়ে গেলে ওরা ছলে বলে কারণ দেখে নামঞ্জুর করে দেয়, আবার নতুন করে আবেদন করতে বলে। বেশি দিনের পুরনো ফাইল অ্যাপ্রুভ করলে পারফরমেন্স রেকর্ড খারাপ হয়ে যায়। ভূমি অফিসের এই দুর্নীতি থেকে পরিত্রাণ চাই।।
টাকা দিলে সমাধান করে দিবে নাতো জমি পাব না, জোর করে দখল করে নিচ্ছে তাও সমাধান করে দিবে না।
বিডিএস জরিপ এর জন্য ১ লক্ষ টাকা চেয়েছিলেন। ৩০০০০/= টাকা দিয়ে কাজ করানো হয়েছে। এভাবে প্রত্যেকের কাছ থেকে টাকা নিয়ে কাজ করা হচ্ছে।
যৌথ বাড়ি নির্মাণ ও নকশা, প্লান পাশ অনুমতি জন্য। বাড়ি নির্মাণ অনুমতি পেতে নামজারিসহ যৌথ নির্মাণ অনুমতি, ভাঙ্গা গড়ার অনুমতি পেতে।
ভূমি কর দিতে আব্বা গিয়েছিল। কিন্তু আমাদের Tax. গত বছরেরই সব পরিশোধ করা হয়েছিল। আব্বা সাধারণ মানুষ। ১০ টাকার একটা স্লিজ বের করে ২০০ টাকা নিয়েছে। গতবছর আমার আব্বাকে বলেছিল মোট ১৪ হাজার টাকা লাগবে। আমি সেই কাহ্জ চলতি বছর ফেব্রুয়ারিতে ৫২৬৫ টাকায় করেছি
Comments 0
No comments yet. Be the first.