ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন
ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন করতে গিয়েছিলাম,,২৬৯১ টাকার রশিদ দিয়েছে,, কিন্তু অতিরিক্ত ৫০০ টাকা দিতে হয়েছে, নইলে কোনভাবেই দিচ্ছিলো না,,টঙ্গী পৌরসভা অফিস
DK6ULMU6
আমি একটা অটোমোবাইল ওয়ার্কশপ এর ট্রেড লাইসেন্স করতে গেলে দায়িত্বরত অফিসার আমার থেকে সরকারি জমার বাহিরে ২০ হাজার টাকা দাবি করে বসে এবং বলে ঐ বিভাগের ট্যাক্স অফিসার নাকি অটোমোবাইল ওয়ার্কশপ ফাইলের জন্য ১০ থেকে ১৫ হাজার টাকা নিয়ে থাকে, যার কারণে সরকারি জমার বাহিরে তাদেরকে ২০ হাজার টাকা দিতে হবে। তাহলে আর কোন প্রকার কাগজপত্রের ঝামেলা করবে না। যদিও বা আমার অটোমোবাইল ওয়ার্কশপ করার জন্য যে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দরকার তার মধ্যে অধিকাংশ কাগজপত্রই আমার নেই। অটোমোবাইল ওয়ার্কশপ করতে নাকি ফায়ার লাইসেন্স, পরিবেশের ছাড়পত্র, স্বাস্থ্যগত অনুমোদন নথি, অনাপত্তি পত্র ইত্যাদি লাগে। সরকারি জমার বাহিরে ২০ হাজার টাকা দিলে আর কোন কিছু দিতে হবে না শুধু ভোটার আইডি কার্ডের ফটোগুলি আর পাসপোর্ট সাইজের ছবি দিলেই হবে
ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন করতে গিয়েছিলাম,,২৬৯১ টাকার রশিদ দিয়েছে,, কিন্তু অতিরিক্ত ৫০০ টাকা দিতে হয়েছে, নইলে কোনভাবেই দিচ্ছিলো না,,টঙ্গী পৌরসভা অফিস
There's unofficial people roaming inside of the DNCC office in Mohakhali who would say it is not possible at first only to make you bribe them.
ট্রেড লাইসেন্সের কাজ অনলাইন ওয়েবসাইট বানায় রাখলেও এসব কাজ অনলাইনে কিছুই হয় না। সব দালাল আর ঘুরে ঘুরে করা লাগে ডিএনসিসি অফিস, ওয়ার্ড নং ২৮ ই '—' নাম এর একজন ঘূষ নিসে ট্রেড লাইসেন্স সাথে করে দিবে আর টাকা না দিলে কাজ করতে ১ সপ্তাহ লাগবে। তাই আমি বাধ্য হয়ে ১০০০ টাকা ঘুষ দেই। ঘুষ দেয়ার সাথে সাথে ১ দিনের মধ্যে ৩-৪ জন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তার স্বাক্ষর নিয়ে নেয় এই ব্যাক্তি । এই অফিসে যতজন কাজ করে সবাই নিজের সাথে দালাল রাখে। নিজেরা ভালো মানুষ হয়ে বসে থাকে আর দালাল দিয়ে কাজ চালায়
আমি দোকানের জন্য একটি ট্রেড লাইসেন্স করতে ঢাকা দক্ষিণ সিটির খিলগাঁও, তিলপাড়ায় যাই। সরকারি ফি- 4075 টাকা, কিন্তু তারা দাবি করে- 7000 টাকা। অবশেষে আমি 6000 টাকায় কাজ সম্পন্ন করি।
মন্তব্য ০
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।