সি এন্ড এফ লাইসেন্সের সারভিল্যান্স প্রত্যাহার বিষয়ে চুড়ান্ত নিষ্পত্তির চিঠি ইস্যু সংক্রান্ত। ঘুষ দাবি করা হয়েছে

কাস্টমস ASYCUDA তে একটা ভূয়া বিল অব এন্ট্রি করেছিল কাস্টমস সরকার সবার অগোচরে, ফৌজদারি মামলার তদন্ত প্রতিবেদনে প্রতিষ্ঠান জড়িত নয় উল্লেখ্ করা হয়। ঐ ঘটনার কাস্টমস সি এন্ড এফ লাইসেন্স সার্ভিল্যান্সের আওতায় আনা, পরে কাস্টমস বিচার করে ২ লক্ষ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করে ।এখন চুড়ান্ত চিঠি যাবে সারভিল্যান্স প্রত্যাহারের জন্য, তাই ঐ চিঠি অনুমোদনের জন্য ২৫০০০০/- টাকা ঘুষ চাচ্ছে। ঘুষ চাচ্ছে ARO- — , লাইসেন্স শাখ, কাস্টমস হাউস,চট্টগ্রাম, তারিখ: ২৫/০৮/২০২৬ ।

বিবরণ
টাকার পরিমাণ ৳২,৫০,০০০
যে কাজের জন্য সি এন্ড এফ লাইসেন্সের সারভিল্যান্স প্রত্যাহার বিষয়ে চুড়ান্ত নিষ্পত্তির চিঠি ইস্যু সংক্রান্ত।
দপ্তর কাস্টমস অফিস
বিভাগ চট্টগ্রাম
থানা / উপজেলা চট্টগ্রাম
রিপোর্টের তারিখ ২৬ আগস্ট ২০২৬
কতজন দেখেছেন ১ বার
এই দপ্তরের সব রিপোর্ট
মন্তব্য

মন্তব্য

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।

মন্তব্য সবাই দেখতে পাবে। নাম না দিলে বেনামী হিসেবেই থাকবে। কারও নাম, ঠিকানা বা ফোন নম্বর লিখবেন না।

একই দপ্তরের আলোচিত রিপোর্ট

কাস্টমস অফিস

Examine

জেটি কাস্টমস চট্টগ্রাম এর জয়েন কমিশনার — এর ছত্রছায়ায় অসাধু কর্মকর্তাদের একটি চক্র পণ্য পরীক্ষণে বিপুল পরিমাণ অর্থ আদায় করছে। নাহলে অযথা বিলম্ব করে নানাভাবে হয়রানি করে। এজন্য পণ্য খালাসে বিলম্ব হচ্ছে। অহেতুক মামলার সম্মুখীন হতে হচ্ছে।

ঘুষ দিইনি
চট্টগ্রাম ৳৫.০০ লাখ
২৫ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
কাস্টমস অফিস

Asssesment

চট্টগ্রাম কাস্টম এর শুল্কায়ন গ্রুপ ৪ এর সহকারী কমিশনার — একটি পণ্য চালান ছাড়ের ১৫০০০০ লক্ষ টাকা দাবি করেন। পরবর্তীতে পণ্য ডেমারেজ এর কথা চিন্তা করে ১২০০০০ টাকা দিয়ে সমাধান করা হয়। এই গ্রুপে অযথা পণ্য শুল্কায়ন ফাইলে হয়রানি হতে হয়।

ঘুষ দিয়েছি
চট্টগ্রাম ৳১.৫০ লাখ
২৫ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
কাস্টমস অফিস

ক্যাপিটাল মেশিনারি আমদানী

আমাদের কোম্পানীর একটি আমদানীকৃত মেশিনারি আমদানী পযায়ে এইচএস কোড ভূল ভাবে মূল্যায়ন করে আমদানী টেক্স বাবাদ প্রায় ১৫০,০০,০০০/- দাবী করা হয়। যা শতভাগ অন্যায় ছিল। কিন্তু আমাদের কোম্পানী নিরুপায় হয়ে ১৬,০০,০০০/- ঘুষ প্রদান করে উক্ত চালানটি ছাড় করাতে বাধ্য হয়। তা না হলে আমাদের কোম্পানীর আর ও বড় ক্ষতি হত। হ্যাঁ আমরা স্বীকার করছি কাজটি অন্যায় কিন্তু এ ছাড়া আমাদের আর কোন উপায় ছিল না। আমরা যদি কাস্টমস এর সঙে এই ব্যাপারে উচ্চতর আপিল করে উক্ত চালানটি ছাড় করাতে যেতাম তা হলে অনেক সময় লাগত। ততদিনে বন্দর এর ডেমারেজ এবং শিপিং লাইনের ডেমারেজ সহ উক্ত মেশিনারি দ্বারা যেই পণ্য উৎপাদন করা হবে তাও হত না। এসব কথা বিবেচনা করে আমাদের কোম্পনী ঘুষ প্রদানে বাধ্য হয়।

ঘুষ দিয়েছি
চট্রগ্রাম ৳১৬.০০ লাখ
২৫ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য