বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে কয়েক হাজার অসামরিক কর্মকর্তা/কর্মচারী চাকুরী করে। চাকুরীতে নুতন যোগদান করলে বেতন, চিত্তবিনোদন ছুটি, উচ্চতর গ্রেড, টিএ/ডিএ বিল, পদোন্নতির ফিক্সেশন, মিশনের বিল, জিপি ফান্ড হতে টাকা উত্তোলন, এমনকি কোন পেনশনে গেলে ছুটির টাকা এবং পেনশন কেইস পাশ করানোর জন্যও বিভিন্ন অঙ্কের টাকা এফসি (বিবিধ) অফিসে অডিটর/সুপার/ডিএএফসিকে ঘুষ প্রদান করতে হয়। ঘুষ প্রদান না করলে তারা বিল পাশ করে না। যতদিন ঘুষ/স্পীড মানি/উৎকোচ তাদেরকে প্রদান না করা হয় ততদিন বিল ফেলে রাখে। অনেক সময় ঘুষ তারা সরাসরি নেয় আবার অনেক সময় দালালের মাধ্যমে নেয়। ঘুষের অঙ্কটা নির্ভর করে কিসের বিল/কত টাকার বিল তার উপর।
আমাকে বলা হয়েছিল, অডিট ফেস করার জন্য ভবিষ্যতে লাগবে।
আমার ভ্রমণ ভাতার বিল করতে গিয়ে এই অর্থ দাবি করা হয়। তখন জানতে পারি হিসাবরক্ষণ অফিসে যেকোন বিল করতে বিলের ৫ শতাংশ অর্থ দিতে হয়।
ময়মনসিংহ হিসাব সংরক্ষণ অফিসে ৫% ঘুষ ছাড়া টিএডিএ বিল পাশ করে না। আমাদের সরকারি কর্মকর্তাদের অনেক বিল ৫% টাকা ছাড়া বিল পাশ করে না।
বদলীর জন্য LPC দরকার হয়। সেজন্য সময়ক্ষেপণ করা হয়। কারন জানতে চাইলে ২০০০ টাকা চাওয়া হয়। আমার জরুরি প্রয়োজন বিধায় টাকা দিতে বাধ্য হই।
মন্তব্য ০
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।