পাসপোর্ট বাধ্য হয়ে ঘুষ দিতে হয়েছে

নতুন পাসপোর্ট করার জন্য সকল কাগজপত্র জমা দিই, কিন্তু আমার পুলিস ভেরিফিকেশন করার সময় পাসপোর্ট অফিসে ২০০০ টাকা জমা দিতে বলা হয়। পরে আরও ৫০০ টাকা দাবি করে, যা বিকাশের মাধ্যমে আরেকজনের কাছে পাঠানো হয়। নিজের নম্বরে কিন্ত জমা নেই নি। আজব একটা সিস্টেম রে ভাই। আমরা নাগরিকরা সবাই দোচণে আছি।

এই রিপোর্টটি ghush.site থেকে সংগৃহীত। লেখা অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে।
বিবরণ
টাকার পরিমাণ ৳২,৫০০
যে কাজের জন্য পাসপোর্ট
দপ্তর পাসপোর্ট অফিস
বিভাগ রাজশাহী
থানা / উপজেলা রাজশাহী
রিপোর্টের তারিখ ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
কতজন দেখেছেন ১ বার
এই দপ্তরের সব রিপোর্ট
মন্তব্য

মন্তব্য

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।

মন্তব্য সবাই দেখতে পাবে। নাম না দিলে বেনামী হিসেবেই থাকবে। কারও নাম, ঠিকানা বা ফোন নম্বর লিখবেন না।

একই দপ্তরের আলোচিত রিপোর্ট

পাসপোর্ট অফিস

পাসপোর্ট

আমি একজন স্টুডেন্ট আমি আবেদন করার সময় লেবার সিলেক্ট করি ভুলে এখন নাকি লেবার তার ডকুমেন্টস লাগবে আমার জানা মতে এমন কোন ডকুমেন্টস হয় না এটা তাদের জানালে তারা একটা নাম্বার দেয় এবং তার সাথে যোগাযোগ করতে বলে পরে যোগাযোগ করলে ৩৫০০ টাকা দাবি করে অবশেষে টাকা দিলে পরে আমার পাসপোর্ট এর কগজ এবং ফিঙ্গার নেয়

ঘুষ দিয়েছি ghush.site
ঝালকাঠি ৳৩.৫ হাজার
১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৫০
মন্তব্য
পাসপোর্ট অফিস

পাসপোর্ট তৈরির জন্য ফিঙ্গার এবং ছবি উঠানো

ঘটনাটা এই বছরের নয় গত বছরের। আমার IELTS পরীক্ষার জন্য পাসপোর্টের প্রয়োজন ছিল। অনলাইনে আবেদন সাবমিট করে যেদিন ফিঙ্গার ও ছবি উঠানোর জন্য যাই সেদিন সমস্ত কাগজ ঠিক থাকার পরেও আমাকে ফেরত পাঠানো হয়। পরবর্তীতে আমার পরিচিত একজন আত্মীয়ের মাধ্যমে পাসপোর্ট অফিসের সামনে অবস্থিত কম্পিউটারের দোকানের মাধ্যমে উপরে উল্লেখিত নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা প্রদান করি। পরবর্তীতে জানতে পারি ওখানে অবস্থিত সকল টেক দোকানগুলোর কাজ হলো এটা।

ঘুষ দিয়েছি ghush.site
বগুড়া ৳১.১ হাজার
২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১০
মন্তব্য