নতুন পাসপোর্ট বাধ্য হয়ে ঘুষ দিতে হয়েছে

তার সাধারণ পাবলিক যদি পাসপোর্ট আবেদন করে নিয়ে আসে তাহলে তারা তা জমা নেয় না। তারা বলে এই কাগজ নাই, নাম ভুল আছে ইত্যাদি। কিন্ত বাহিরে বসে থাকা দালাল চক্র মার্ক করা কোনে ফাইল গেলে তারা তা ঠিকমতো দেখেও না বলে যাস পাসপোর্ট এর ছবি তুলে আসুন। ফাইলে তার গোপন ইমেইল এড্রেস বসিয়ে থাকে। সেই ইমেইল এড্রেস দিয়ে তারা চিহ্নিত করে যে এটা তাদের দালালের ফাইল। আবার ইদানিং তারা ইমেইল না দিয়ে গোপনে সরকারি কর্মকর্তাদের যে পাসপোর্ট করতে যাবে তার আইডি পাসওয়ার্ড দিয়ে দেয়। যারা দালালের মাদ্যমে যায় তাদের কেোন বাড়তি কাগজ লাগেনা শুধু আইডি কার্ডের ফটোকপি দিলেই হয়।

বিবরণ
টাকার পরিমাণ ৳৮,৫০০
যে কাজের জন্য নতুন পাসপোর্ট
দপ্তর পাসপোর্ট অফিস
বিভাগ চট্টগ্রাম
থানা / উপজেলা মুনসুরাবাদ পাসপোর্ট অফিস
রিপোর্টের তারিখ ২৭ আগস্ট ২০২৬
কতজন দেখেছেন ১ বার
এই দপ্তরের সব রিপোর্ট
মন্তব্য

মন্তব্য

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।

মন্তব্য সবাই দেখতে পাবে। নাম না দিলে বেনামী হিসেবেই থাকবে। কারও নাম, ঠিকানা বা ফোন নম্বর লিখবেন না।

একই দপ্তরের আলোচিত রিপোর্ট

পাসপোর্ট অফিস

পাসপোর্ট

আমি একজন স্টুডেন্ট আমি আবেদন করার সময় লেবার সিলেক্ট করি ভুলে এখন নাকি লেবার তার ডকুমেন্টস লাগবে আমার জানা মতে এমন কোন ডকুমেন্টস হয় না এটা তাদের জানালে তারা একটা নাম্বার দেয় এবং তার সাথে যোগাযোগ করতে বলে পরে যোগাযোগ করলে ৩৫০০ টাকা দাবি করে অবশেষে টাকা দিলে পরে আমার পাসপোর্ট এর কগজ এবং ফিঙ্গার নেয়

ঘুষ দিয়েছি
ঝালকাঠি ৳৩.৫ হাজার
১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৪৫
মন্তব্য
পাসপোর্ট অফিস

পাসপোর্ট তৈরির জন্য ফিঙ্গার এবং ছবি উঠানো

ঘটনাটা এই বছরের নয় গত বছরের। আমার IELTS পরীক্ষার জন্য পাসপোর্টের প্রয়োজন ছিল। অনলাইনে আবেদন সাবমিট করে যেদিন ফিঙ্গার ও ছবি উঠানোর জন্য যাই সেদিন সমস্ত কাগজ ঠিক থাকার পরেও আমাকে ফেরত পাঠানো হয়। পরবর্তীতে আমার পরিচিত একজন আত্মীয়ের মাধ্যমে পাসপোর্ট অফিসের সামনে অবস্থিত কম্পিউটারের দোকানের মাধ্যমে উপরে উল্লেখিত নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা প্রদান করি। পরবর্তীতে জানতে পারি ওখানে অবস্থিত সকল টেক দোকানগুলোর কাজ হলো এটা।

ঘুষ দিয়েছি
বগুড়া ৳১.১ হাজার
২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মন্তব্য