সমাধান
টাকা দিলে সমাধান করে দিবে নাতো জমি পাব না, জোর করে দখল করে নিচ্ছে তাও সমাধান করে দিবে না।
RNZYZKWP
নামজারী আবেদনের পর প্রস্তাব দেওয়ার সময় প্রতিটি ফাইল ১০০০+ টাকা নেওয়া হয়, টাকা না দিলে বিভিন্ন ত্রুটি বের করে ঘুরায় ভূমি অফিসার। প্রস্তাবের ক্ষেত্রে হোল্ডিং সমন্বয় অপশন থেকে সর্বশেষ অর্থবছর দাবি তুলে দেওয়া ভালো, আমার এটা যুক্তিক দাবি। দাখিলা র আবেদন করেও দীর্ঘদিন পেন্ডিং থাকে, এমন সমস্যা সমাধান করার একটাই উপায়, আবেদন ৩ দিন অতিক্রম হলে অটোমেটিক যেনো সমন্বয় হয়ে যায় নাগরিক আইডি তে। যদিও নামজারী সম্পন্ন করার পর হোল্ডিং অটো আসতেছে এখন, তবে এখানেও সমস্যা - সর্বশেষ অর্থবছর অফিসারগন পরিবর্তন করে দিচ্ছে, যেনো অটো সিস্টেম এ কেও দাখিলা পেমেন্ট করতে না পারে। যদি কেও পেমেন্ট করেও থাকে তাহলে দাখিলা পাচ্ছে ২০১০ কিংবা ২০১৫ সালের,কেন এমন,অন্যদিকে সাংবাদিক অফিসে গেলে তারাও ঘুষের টাকা খেয়ে সংবাদ প্রকাশ করে না।
টাকা দিলে সমাধান করে দিবে নাতো জমি পাব না, জোর করে দখল করে নিচ্ছে তাও সমাধান করে দিবে না।
বিডিএস জরিপ এর জন্য ১ লক্ষ টাকা চেয়েছিলেন। ৩০০০০/= টাকা দিয়ে কাজ করানো হয়েছে। এভাবে প্রত্যেকের কাছ থেকে টাকা নিয়ে কাজ করা হচ্ছে।
যৌথ বাড়ি নির্মাণ ও নকশা, প্লান পাশ অনুমতি জন্য। বাড়ি নির্মাণ অনুমতি পেতে নামজারিসহ যৌথ নির্মাণ অনুমতি, ভাঙ্গা গড়ার অনুমতি পেতে।
ভূমি কর দিতে আব্বা গিয়েছিল। কিন্তু আমাদের Tax. গত বছরেরই সব পরিশোধ করা হয়েছিল। আব্বা সাধারণ মানুষ। ১০ টাকার একটা স্লিজ বের করে ২০০ টাকা নিয়েছে। গতবছর আমার আব্বাকে বলেছিল মোট ১৪ হাজার টাকা লাগবে। আমি সেই কাহ্জ চলতি বছর ফেব্রুয়ারিতে ৫২৬৫ টাকায় করেছি
Comments 0
No comments yet. Be the first.