সমাধান
টাকা দিলে সমাধান করে দিবে নাতো জমি পাব না, জোর করে দখল করে নিচ্ছে তাও সমাধান করে দিবে না।
কক্সবাজার সদর ভূমি অফিসে দীর্ঘদিন যাবত জমি ১০০% পারসেন রেকর্ড বুকতো আছে অনলাইন অনলাইন রেকর্ড আছে এবং বায়া দলিল থেকে শুরু করে সকল খতিয়ান সকল দলিল আপটুডেট ক্লিয়ার আমি খাজনা পরিশোধ করতে চাইলে আমার ওই জমির আমাকে ডিটারমেন্টেশন মামলা দেখায় যে মামলার কোন অস্তিত্ব দেখাতে পারে না শুধু একটা ফটোকপি বইয়ে দেখায় কিন্তু ওই রেকর্ডটা ভিত্তিহীন। আমার আর আছে অনলাইন ক্লিয়ার একদম বিএসও অনলাইন ক্লিয়ার আছে ক্লিয়ার আছে। উনি যেটা দেখাইতেছে ওটা কক্সবাজার সদর তহশিলদার এর বানানো একটা ফটোকপি। আমাকে খাজনা পরিশোধ করতে দিচ্ছে না। সে তৃতীয় পক্ষ কে দিএ আমার কাছ থেকে একটা বড় টাকার অ্যামাউন্ট ঘুষ দাবি করতেছে। আমি আমার বয়তো জমির খাজনা দেওয়ার জন্য আমি তাকে কেন ঘুষের টাকা দিব। এ ঘুষের টাকার জন্য আমার কাজ হচ্ছে না।
টাকা দিলে সমাধান করে দিবে নাতো জমি পাব না, জোর করে দখল করে নিচ্ছে তাও সমাধান করে দিবে না।
বিডিএস জরিপ এর জন্য ১ লক্ষ টাকা চেয়েছিলেন। ৩০০০০/= টাকা দিয়ে কাজ করানো হয়েছে। এভাবে প্রত্যেকের কাছ থেকে টাকা নিয়ে কাজ করা হচ্ছে।
যৌথ বাড়ি নির্মাণ ও নকশা, প্লান পাশ অনুমতি জন্য। বাড়ি নির্মাণ অনুমতি পেতে নামজারিসহ যৌথ নির্মাণ অনুমতি, ভাঙ্গা গড়ার অনুমতি পেতে।
ভূমি কর দিতে আব্বা গিয়েছিল। কিন্তু আমাদের Tax. গত বছরেরই সব পরিশোধ করা হয়েছিল। আব্বা সাধারণ মানুষ। ১০ টাকার একটা স্লিজ বের করে ২০০ টাকা নিয়েছে। গতবছর আমার আব্বাকে বলেছিল মোট ১৪ হাজার টাকা লাগবে। আমি সেই কাহ্জ চলতি বছর ফেব্রুয়ারিতে ৫২৬৫ টাকায় করেছি
Comments 0
No comments yet. Be the first.