সমাধান
টাকা দিলে সমাধান করে দিবে নাতো জমি পাব না, জোর করে দখল করে নিচ্ছে তাও সমাধান করে দিবে না।
আমি গিয়েছিলাম আমার বাবাকে নিয়ে আমার বাবা জমি বিক্রি করবে আমার দাদা ও দাদীর উত্তরাধিকারী । জমির পরিমাণ ছিল 9 শতাংশ, সূত্রে খাজনা রশিদ নিতে নিতে যাই তখন তারা বলতেছে তারা বলতেছে কাজ না রশিদ নিতে গেলে তাদেরকে ৫০ হাজার টাকা দিতে হবে না হয় খাজনা রশিদ দেওয়া যাবে না । না হয় আরেকটি রাস্তা আছে নাম জারি করেন ২৫ হাজার টাকা দেন ৯ শতাংশ নাম জারি করিয়া দিব কোন উপায় না পেয়ে সর্বশেষে 20000 টাকা দিতে রাজি হই। সব সময় প্রতিটি সেবার জন্য গন্ডা ভূমি অফিসে টাকা ছাড়া কথা বলে না। জেলা নেত্রকোনা থানা কেন্দুয়া ইউনিয়ন গন্ডা ভূমি অফিস
টাকা দিলে সমাধান করে দিবে নাতো জমি পাব না, জোর করে দখল করে নিচ্ছে তাও সমাধান করে দিবে না।
বিডিএস জরিপ এর জন্য ১ লক্ষ টাকা চেয়েছিলেন। ৩০০০০/= টাকা দিয়ে কাজ করানো হয়েছে। এভাবে প্রত্যেকের কাছ থেকে টাকা নিয়ে কাজ করা হচ্ছে।
যৌথ বাড়ি নির্মাণ ও নকশা, প্লান পাশ অনুমতি জন্য। বাড়ি নির্মাণ অনুমতি পেতে নামজারিসহ যৌথ নির্মাণ অনুমতি, ভাঙ্গা গড়ার অনুমতি পেতে।
ভূমি কর দিতে আব্বা গিয়েছিল। কিন্তু আমাদের Tax. গত বছরেরই সব পরিশোধ করা হয়েছিল। আব্বা সাধারণ মানুষ। ১০ টাকার একটা স্লিজ বের করে ২০০ টাকা নিয়েছে। গতবছর আমার আব্বাকে বলেছিল মোট ১৪ হাজার টাকা লাগবে। আমি সেই কাহ্জ চলতি বছর ফেব্রুয়ারিতে ৫২৬৫ টাকায় করেছি
মন্তব্য ০
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।