জাতীয় পরিচয়পত্রে ভুল থাকার কারনে পে ফিক্সেশন করাতে পারিনি। পরে সংশোধন করে এরিয়ার বিল করার সময় এক মাসের বেতন দাবি করে রাঙ্গুনিয়া হিসাব রক্ষন অফিস।রাঙ্গুনিয়া শিক্ষা অফিস করে ২০০০। আমার মোট বকেয়া বিল ছিলো ৫২০০০/-। পরে ২০০০০/- ঘুস দিয়ে এই বিল এপ্রুভ করাতে হয়। রাঙ্গুনিয়া হিসাব রক্ষন অফিস কে জিপিএফ ফান্ডের টাকা উত্তোলন করার সময় ২০০০/- ঘুষ দিতে হয়।জাতীয় পরিচয়পত্র সংশোধন করে পে ফিক্সেশন করার জন্য ২০০০/- দিতে হয়। ফেনি হিসাব রক্ষন অফিস কে জিপিএফ ফান্ডের একাউন্ট করার জন্য ২০০০/- এবং নতুন বেতন বিল করার সময় ৫০০০/- । এরা হচ্ছে লেখক আবু ইসহাকের জোক।
আমাকে বলা হয়েছিল, অডিট ফেস করার জন্য ভবিষ্যতে লাগবে।
আমার ভ্রমণ ভাতার বিল করতে গিয়ে এই অর্থ দাবি করা হয়। তখন জানতে পারি হিসাবরক্ষণ অফিসে যেকোন বিল করতে বিলের ৫ শতাংশ অর্থ দিতে হয়।
ময়মনসিংহ হিসাব সংরক্ষণ অফিসে ৫% ঘুষ ছাড়া টিএডিএ বিল পাশ করে না। আমাদের সরকারি কর্মকর্তাদের অনেক বিল ৫% টাকা ছাড়া বিল পাশ করে না।
বদলীর জন্য LPC দরকার হয়। সেজন্য সময়ক্ষেপণ করা হয়। কারন জানতে চাইলে ২০০০ টাকা চাওয়া হয়। আমার জরুরি প্রয়োজন বিধায় টাকা দিতে বাধ্য হই।
মন্তব্য ০
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।