পাসপোর্ট আবেদন বাধ্য হয়ে ঘুষ দিতে হয়েছে

একজন লোক এই কাজে হেল্প করে উনি ওয়াটসএপ্স এর মাধ্যমে পাসপোষ্ট অফিসের ভেতরে কোনো কর্মকর্তার সাথে কথা বলেই আমার থেকে টাকা নেওয়া ছাড়াই শুধু ডিল হওয়ার ৫ মিনিটের মধ্যে কোনো লাইন ছাড়া ডিরেক্ট রুমে নিল.কর্মরত কর্মকর্তাকে ইশারা করে আমার টাই করে দিল যাস্ট কিছু প্রশ্ন করলো অভিনয় টাইপ এরপর ডিরেক্ট বায়োমেট্রিক রুমে মানে পুরো কাজে ৭-৮ মিনিট লেগেছে। বায়োমেট্রিক রুমের কাছে যেতেই একজন বললো কর্মকর্তা তুমি বাইরে যাও তো আমি আছি দেখতেছি এরপরে অই অফিসার লাইন ছাড়া সত্তেও আমাকে সবার আগে দিল ভেতরে। তখন বুজলাম পুরো চেইনে পার্সপোর্ট অফিসের সকল কর্মকর্তা জড়িত সেটা অফিসার হোক বা আনসার। আনসার অই ছেলেকে বললো আমাকে একটা স্প্রিড খাইয়াতো গলা শুখে গেছে। হাউ ফানি।আমি তো অবাক হলাম।

বিবরণ
টাকার পরিমাণ ৳১,৫০০
যে কাজের জন্য পাসপোর্ট আবেদন
দপ্তর পাসপোর্ট অফিস
বিভাগ রাজশাহী
থানা / উপজেলা বগুড়া
রিপোর্টের তারিখ ২৩ আগস্ট ২০২৬
কতজন দেখেছেন ১ বার
এই দপ্তরের সব রিপোর্ট
মন্তব্য

মন্তব্য

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।

মন্তব্য সবাই দেখতে পাবে। নাম না দিলে বেনামী হিসেবেই থাকবে। কারও নাম, ঠিকানা বা ফোন নম্বর লিখবেন না।

একই দপ্তরের আলোচিত রিপোর্ট

পাসপোর্ট অফিস

পাসপোর্ট

আমি একজন স্টুডেন্ট আমি আবেদন করার সময় লেবার সিলেক্ট করি ভুলে এখন নাকি লেবার তার ডকুমেন্টস লাগবে আমার জানা মতে এমন কোন ডকুমেন্টস হয় না এটা তাদের জানালে তারা একটা নাম্বার দেয় এবং তার সাথে যোগাযোগ করতে বলে পরে যোগাযোগ করলে ৩৫০০ টাকা দাবি করে অবশেষে টাকা দিলে পরে আমার পাসপোর্ট এর কগজ এবং ফিঙ্গার নেয়

ঘুষ দিয়েছি
ঝালকাঠি ৳৩.৫ হাজার
১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৪৮
মন্তব্য
পাসপোর্ট অফিস

পাসপোর্ট তৈরির জন্য ফিঙ্গার এবং ছবি উঠানো

ঘটনাটা এই বছরের নয় গত বছরের। আমার IELTS পরীক্ষার জন্য পাসপোর্টের প্রয়োজন ছিল। অনলাইনে আবেদন সাবমিট করে যেদিন ফিঙ্গার ও ছবি উঠানোর জন্য যাই সেদিন সমস্ত কাগজ ঠিক থাকার পরেও আমাকে ফেরত পাঠানো হয়। পরবর্তীতে আমার পরিচিত একজন আত্মীয়ের মাধ্যমে পাসপোর্ট অফিসের সামনে অবস্থিত কম্পিউটারের দোকানের মাধ্যমে উপরে উল্লেখিত নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা প্রদান করি। পরবর্তীতে জানতে পারি ওখানে অবস্থিত সকল টেক দোকানগুলোর কাজ হলো এটা।

ঘুষ দিয়েছি
বগুড়া ৳১.১ হাজার
২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মন্তব্য