সমাধান
টাকা দিলে সমাধান করে দিবে নাতো জমি পাব না, জোর করে দখল করে নিচ্ছে তাও সমাধান করে দিবে না।
নামজারি করতে গেলে সেখানে চেয়ারে ভূমি সহকারী কর্মকর্তা বসে না, ২ ২-৩ জন দালাল আমাকে দেখে প্রশ্ন করে কেন এসেছি, ওরা ঐখানের কর্মচারী না, তাদের চাকরি নাই, তারা ভাড়া করা দালাল, সামনের চেয়ারে বসে কর্মকর্তাদের ঘুষ নেয়া লেখালেখি করাতে সাহায্য করে। ৩ ঘন্টা পর ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা (৪ নং ইসবপুর) এসে বসে থাকে কোন কথাই বলে না, ৩০ মিনিট পর যখন বলি খতিয়ান রেকর্ড সংশোধন করব, ভুল করে পাশের জমির মালিকের নামে রেকর্ড হয়ে গেছে, আমাকে বিভিন্ন কাগজপত্র দিতে বলে যা কখনো পাওয়া সম্ভব নয়, উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া জমির দলিল চায়, দলিলে দাদার দাদা থেকে দাদা পর্যন্ত সিএস আর এস এস এ খতিয়ান ঠিক আছে কিন্তু আমার কাছে দলিল চায়, জমি বিক্রি না হলে দলিল কিভাবে সৃষ্টি হবে? ,পরে ৬০ হাজার টাকা দাবি করে।
টাকা দিলে সমাধান করে দিবে নাতো জমি পাব না, জোর করে দখল করে নিচ্ছে তাও সমাধান করে দিবে না।
বিডিএস জরিপ এর জন্য ১ লক্ষ টাকা চেয়েছিলেন। ৩০০০০/= টাকা দিয়ে কাজ করানো হয়েছে। এভাবে প্রত্যেকের কাছ থেকে টাকা নিয়ে কাজ করা হচ্ছে।
যৌথ বাড়ি নির্মাণ ও নকশা, প্লান পাশ অনুমতি জন্য। বাড়ি নির্মাণ অনুমতি পেতে নামজারিসহ যৌথ নির্মাণ অনুমতি, ভাঙ্গা গড়ার অনুমতি পেতে।
ভূমি কর দিতে আব্বা গিয়েছিল। কিন্তু আমাদের Tax. গত বছরেরই সব পরিশোধ করা হয়েছিল। আব্বা সাধারণ মানুষ। ১০ টাকার একটা স্লিজ বের করে ২০০ টাকা নিয়েছে। গতবছর আমার আব্বাকে বলেছিল মোট ১৪ হাজার টাকা লাগবে। আমি সেই কাহ্জ চলতি বছর ফেব্রুয়ারিতে ৫২৬৫ টাকায় করেছি
মন্তব্য ০
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।