িইমারজেন্সী সেবা বাধ্য হয়ে ঘুষ দিতে হয়েছে

আমার স্ত্রীর আঙ্গুল ভেঙ্গে যাওয়ায় ইমারজেন্সী গাজীপুর সদর হাসপাতাল যাই। ওখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক প্লাস্টার করতে বলে। চতুর্থ শ্রেণী কর্মচারী সমিতির একজন লোক বলে যে ১২০০ টাকা লাগবে। পরে দামাদামি করে ৮০০ টাকায় প্লাস্টার করে দেয়। পরবর্তীতে পায়ের ব্যথা বাড়ার কারনে নিটোরে যাই, ওখানে ফিঙ্গার স্ট্রিপিং করে দেয় এবং বলে যে প্লাস্টার করার প্রয়োজন ছিল না, এমনকি ভুল ভাবে প্লাস্টার করার কারণে চাপে থেকে পায়ে ব্যথা বেড়ে গেছে।

বিবরণ
টাকার পরিমাণ ৳৮০০
যে কাজের জন্য িইমারজেন্সী সেবা
দপ্তর সরকারি হাসপাতাল
বিভাগ ঢাকা
থানা / উপজেলা গাজীপুর সদর
রিপোর্টের তারিখ ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
কতজন দেখেছেন ১ বার
এই দপ্তরের সব রিপোর্ট
মন্তব্য

মন্তব্য

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।

মন্তব্য সবাই দেখতে পাবে। নাম না দিলে বেনামী হিসেবেই থাকবে। কারও নাম, ঠিকানা বা ফোন নম্বর লিখবেন না।

একই দপ্তরের আলোচিত রিপোর্ট

সরকারি হাসপাতাল

রোগি ভর্তিকরণ

রোগী ভর্তি করাতে যেয়ে উনারা বলতেছিলো সিট খালি নেই। পরে একজন আয়াকে ৫০০ টাকা দিতেই উনি ভিতরে গিয়ে নিজে কেমনে কী করে আসলো। সিট পেয়ে গেলাম

ঘুষ দিয়েছি
সিলেট ৳৫০০
২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মন্তব্য
সরকারি হাসপাতাল

ছাড়পত্র

কিডনি বিভাগে ভর্তি হয়েছি। তারপর ছাড়পত্র আনার সময় ওয়ার্ল্ড বয় চা নাস্তা বাবদ কিছু টাকা দাবি করে।। তারপর তা পরিশোধ করি।

ঘুষ দিয়েছি
খুলনা মেডিকেলে ৳১০০
২৪ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য