পাসপোর্ট রিনিউ বাধ্য হয়ে ঘুষ দিতে হয়েছে

অনলাইনে আবেদনপত্রে নামের মাঝে ডট (Dot) গ্রহণ করলেও সশরীরে উপস্থিত হওয়ার পর জমা নিতে জানান যে নামের সাথে ডট দেওয়া যাবে না। এ নিয়ে দরখাস্ত জমা দেওয়ার পর জানানো হয় সেদিন জমা নেওয়ার সময় শেষ। পরদিন এনআইডি (NID) কার্ডের অনলাইন ভেরিফাইড কপি জমা দিতে বলা হয়। সেটা নিয়ে দেবার পর আবার নতুন আরেকটা কাগজ চায়। অনাবশ্যক হয়রানি বুঝতে পেরে বলি কিকি কাগজ লাগবে একবারে কন, আমি ভিডিও রেকর্ড করে নিয়ে যায়। ভিডিও শুরু করলে প্রথমে গ্যানজাম বাধে পরে অবশ্য কর্মকর্তারা আর কথা না বাড়িয়ে সেদিনই ছবি তোলাসমেত সব কাজ সম্পন্ন করে দেন। সরাসরি ঘুষ না দিলেও বারবার যাতায়াত ও অপ্রয়োজনীয় জটিলতার কারণে ২৫০০ টাকারও বেশি আর্থিক ক্ষতি পোহাতে হয়।

বিবরণ
টাকার পরিমাণ ৳২,৫০০
যে কাজের জন্য পাসপোর্ট রিনিউ
দপ্তর পাসপোর্ট অফিস
বিভাগ খুলনা
থানা / উপজেলা কুষ্টিয়া
রিপোর্টের তারিখ ২৫ আগস্ট ২০২৬
কতজন দেখেছেন ১ বার
এই দপ্তরের সব রিপোর্ট
মন্তব্য

মন্তব্য

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।

মন্তব্য সবাই দেখতে পাবে। নাম না দিলে বেনামী হিসেবেই থাকবে। কারও নাম, ঠিকানা বা ফোন নম্বর লিখবেন না।

একই দপ্তরের আলোচিত রিপোর্ট

পাসপোর্ট অফিস

পাসপোর্ট

আমি একজন স্টুডেন্ট আমি আবেদন করার সময় লেবার সিলেক্ট করি ভুলে এখন নাকি লেবার তার ডকুমেন্টস লাগবে আমার জানা মতে এমন কোন ডকুমেন্টস হয় না এটা তাদের জানালে তারা একটা নাম্বার দেয় এবং তার সাথে যোগাযোগ করতে বলে পরে যোগাযোগ করলে ৩৫০০ টাকা দাবি করে অবশেষে টাকা দিলে পরে আমার পাসপোর্ট এর কগজ এবং ফিঙ্গার নেয়

ঘুষ দিয়েছি
ঝালকাঠি ৳৩.৫ হাজার
১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৪৫
মন্তব্য
পাসপোর্ট অফিস

পাসপোর্ট তৈরির জন্য ফিঙ্গার এবং ছবি উঠানো

ঘটনাটা এই বছরের নয় গত বছরের। আমার IELTS পরীক্ষার জন্য পাসপোর্টের প্রয়োজন ছিল। অনলাইনে আবেদন সাবমিট করে যেদিন ফিঙ্গার ও ছবি উঠানোর জন্য যাই সেদিন সমস্ত কাগজ ঠিক থাকার পরেও আমাকে ফেরত পাঠানো হয়। পরবর্তীতে আমার পরিচিত একজন আত্মীয়ের মাধ্যমে পাসপোর্ট অফিসের সামনে অবস্থিত কম্পিউটারের দোকানের মাধ্যমে উপরে উল্লেখিত নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা প্রদান করি। পরবর্তীতে জানতে পারি ওখানে অবস্থিত সকল টেক দোকানগুলোর কাজ হলো এটা।

ঘুষ দিয়েছি
বগুড়া ৳১.১ হাজার
২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মন্তব্য