২০১৬ সালে পিতার মৃত্যুর পর পেনশন ভোগ করেন মা। ২০২১ সালে মা মারা যান। নিয়ম অনুযায়ী প্রতিবন্ধী সন্তান পেনশনের দাবীদার। ডিসি অফিস, সিভিল সার্জন, অফিস, পৌরসভায় বহুবার কয়েকমাস দৌড়াদৌড়ি ক কাগজপত্র প্রস্তুত করে আটকা পড়লাম জেলা একাউন্টস অফিসে। আইনের ফ্যাঁকরা দেখিয়ে ফেরত পাঠালো। হবে না। দৌড়ালাম মহা হিসাব নিয়ন্ত্রক বরাবর। কয়েকমাস পর একই উত্তর না। ২০২৫ সালে জেলা একাউন্টস অফিস থেকে ফোন পেয়ে দৌড়ালাম সেখানে। তারা পেনশন রানিং করে দিবে বিনিময়ে এরিয়ার যা পাওয়া যাবে (৩লক্ষ ২০ হাজার টাকা) ছেড়ে দিতে দাবী। রাজী হলাম না। আবার গেলাম মহা হিসাব নিরীক্ষণ অফিস, ঢাকায়। তারা পরামর্শ দিলা জেলা অফিস যা অফার দিয়েছে তাতেই রাজী হয়ে পেনশন চালুর ব্যবস্থা করেন। একটা পর্যায়ে কোন ভাবেই হচ্ছে না দেখে DAO এর সাথে ফয়সালা করি।
আমাকে বলা হয়েছিল, অডিট ফেস করার জন্য ভবিষ্যতে লাগবে।
আমার ভ্রমণ ভাতার বিল করতে গিয়ে এই অর্থ দাবি করা হয়। তখন জানতে পারি হিসাবরক্ষণ অফিসে যেকোন বিল করতে বিলের ৫ শতাংশ অর্থ দিতে হয়।
ময়মনসিংহ হিসাব সংরক্ষণ অফিসে ৫% ঘুষ ছাড়া টিএডিএ বিল পাশ করে না। আমাদের সরকারি কর্মকর্তাদের অনেক বিল ৫% টাকা ছাড়া বিল পাশ করে না।
বদলীর জন্য LPC দরকার হয়। সেজন্য সময়ক্ষেপণ করা হয়। কারন জানতে চাইলে ২০০০ টাকা চাওয়া হয়। আমার জরুরি প্রয়োজন বিধায় টাকা দিতে বাধ্য হই।
মন্তব্য ০
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।