ই- পাসপোর্ট তৈরি বাধ্য হয়ে ঘুষ দিতে হয়েছে

আমরা দুই বন্ধু ই-পাসপোর্ট অনলাইনে আবেদন করে কাগজপত্র জমা দিতে যাই। আমাদেরকে কাউন্টার থেকে বলা হয় আপনারা স্থায়ী ঠিকানা থেকে আবেদন করতে হবে। আমি বললাম আমি যে ফি জমা দিয়েছি সেটার কি হবে তারা বলল এটা আর ফেরত পাবেন না। তারপর উর্দ্ধতন কর্মকর্তার সাথে যোগাযোগ করলে তিনিও কোন সহযোগিতা করলেন না পরে অফিস থেকে বের হয়ে একজন আনসারকে বিষয়টা জানাই তিনি আমাদের আরেকজন আনসারের ফোন নম্বর দিয়ে যোগাযোগ করতে বলে এবং আমরা যোগাযোগ করে ৪০০০ টাকায় চুক্তি করার পর আমাদের আবেদন জমা নেয় পরবর্তীতে আমরা পাসপোর্ট পাই।

বিবরণ
টাকার পরিমাণ ৳৪,০০০
যে কাজের জন্য ই- পাসপোর্ট তৈরি
দপ্তর পাসপোর্ট অফিস
বিভাগ চট্টগ্রাম
থানা / উপজেলা চট্টগ্রাম
রিপোর্টের তারিখ ২৬ আগস্ট ২০২৬
কতজন দেখেছেন ১ বার
এই দপ্তরের সব রিপোর্ট
মন্তব্য

মন্তব্য

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।

মন্তব্য সবাই দেখতে পাবে। নাম না দিলে বেনামী হিসেবেই থাকবে। কারও নাম, ঠিকানা বা ফোন নম্বর লিখবেন না।

একই দপ্তরের আলোচিত রিপোর্ট

পাসপোর্ট অফিস

পাসপোর্ট

আমি একজন স্টুডেন্ট আমি আবেদন করার সময় লেবার সিলেক্ট করি ভুলে এখন নাকি লেবার তার ডকুমেন্টস লাগবে আমার জানা মতে এমন কোন ডকুমেন্টস হয় না এটা তাদের জানালে তারা একটা নাম্বার দেয় এবং তার সাথে যোগাযোগ করতে বলে পরে যোগাযোগ করলে ৩৫০০ টাকা দাবি করে অবশেষে টাকা দিলে পরে আমার পাসপোর্ট এর কগজ এবং ফিঙ্গার নেয়

ঘুষ দিয়েছি
ঝালকাঠি ৳৩.৫ হাজার
১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৪৫
মন্তব্য
পাসপোর্ট অফিস

পাসপোর্ট তৈরির জন্য ফিঙ্গার এবং ছবি উঠানো

ঘটনাটা এই বছরের নয় গত বছরের। আমার IELTS পরীক্ষার জন্য পাসপোর্টের প্রয়োজন ছিল। অনলাইনে আবেদন সাবমিট করে যেদিন ফিঙ্গার ও ছবি উঠানোর জন্য যাই সেদিন সমস্ত কাগজ ঠিক থাকার পরেও আমাকে ফেরত পাঠানো হয়। পরবর্তীতে আমার পরিচিত একজন আত্মীয়ের মাধ্যমে পাসপোর্ট অফিসের সামনে অবস্থিত কম্পিউটারের দোকানের মাধ্যমে উপরে উল্লেখিত নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা প্রদান করি। পরবর্তীতে জানতে পারি ওখানে অবস্থিত সকল টেক দোকানগুলোর কাজ হলো এটা।

ঘুষ দিয়েছি
বগুড়া ৳১.১ হাজার
২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মন্তব্য