পাসপোর্ট ঘুষ দিতে অস্বীকার করা হয়েছে

আমার আবেদন ভেরিফিকেশনের জন্য একজন পুলিশ (SI maybe), আমাকে থানায় ডেকে নেয়। থানা থেকে বের হয়ে একটা চায়ের দোকানে গিয়ে চা খাওয়ায়, পরে সেখান থেকে বের হয়ে আমার কাছ থেকে ৫০০ টাকা চাইছিল। আমি সেটা রিফুজ করি, ২০২২ সালের ঘটনা । পড়ে অবশ্য টাকা না দেয়ার আমার কোন সমস্যা হয় নাই। পুরো প্রক্রিয়া আমি নিজে করছিলাম আর, পাসপোর্ট অফিস বেশ জামেলা করছিল কিছু ছোট খাটো বিষয় নিয়ে (হয়রানি আরকি), তবুও আমি টাকা দেই নাই। আমার কাজটা বেশি আরজেন্ট না হওয়ায় হয়তো টাকা ছাড়া করতে পারছিলাম।

বিবরণ
টাকার পরিমাণ ৳৫০০
যে কাজের জন্য পাসপোর্ট
দপ্তর পাসপোর্ট অফিস
বিভাগ বরিশাল
থানা / উপজেলা ভোলা
রিপোর্টের তারিখ ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
কতজন দেখেছেন ১ বার
এই দপ্তরের সব রিপোর্ট
মন্তব্য

মন্তব্য

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।

মন্তব্য সবাই দেখতে পাবে। নাম না দিলে বেনামী হিসেবেই থাকবে। কারও নাম, ঠিকানা বা ফোন নম্বর লিখবেন না।

একই দপ্তরের আলোচিত রিপোর্ট

পাসপোর্ট অফিস

পাসপোর্ট

আমি একজন স্টুডেন্ট আমি আবেদন করার সময় লেবার সিলেক্ট করি ভুলে এখন নাকি লেবার তার ডকুমেন্টস লাগবে আমার জানা মতে এমন কোন ডকুমেন্টস হয় না এটা তাদের জানালে তারা একটা নাম্বার দেয় এবং তার সাথে যোগাযোগ করতে বলে পরে যোগাযোগ করলে ৩৫০০ টাকা দাবি করে অবশেষে টাকা দিলে পরে আমার পাসপোর্ট এর কগজ এবং ফিঙ্গার নেয়

ঘুষ দিয়েছি
ঝালকাঠি ৳৩.৫ হাজার
১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৪৫
মন্তব্য
পাসপোর্ট অফিস

পাসপোর্ট তৈরির জন্য ফিঙ্গার এবং ছবি উঠানো

ঘটনাটা এই বছরের নয় গত বছরের। আমার IELTS পরীক্ষার জন্য পাসপোর্টের প্রয়োজন ছিল। অনলাইনে আবেদন সাবমিট করে যেদিন ফিঙ্গার ও ছবি উঠানোর জন্য যাই সেদিন সমস্ত কাগজ ঠিক থাকার পরেও আমাকে ফেরত পাঠানো হয়। পরবর্তীতে আমার পরিচিত একজন আত্মীয়ের মাধ্যমে পাসপোর্ট অফিসের সামনে অবস্থিত কম্পিউটারের দোকানের মাধ্যমে উপরে উল্লেখিত নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা প্রদান করি। পরবর্তীতে জানতে পারি ওখানে অবস্থিত সকল টেক দোকানগুলোর কাজ হলো এটা।

ঘুষ দিয়েছি
বগুড়া ৳১.১ হাজার
২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মন্তব্য