পাসপোর্টের আবেদন বাধ্য হয়ে ঘুষ দিতে হয়েছে

— সাবেক শিক্ষার্থী, বেরোবি। ঘটনাটি ২ বছর আগের।আব্বার ক্যান্সার চিকিৎসার জন্য ইন্ডিয়ায় যাওয়ার প্রয়োজন ছিলো। সে জন্য ইমারজেন্সি পাসপোর্টের আবেদন করতে যায় পঞ্চগড় পাসপোর্ট অফিসে। সকল কাগজ রেডি করে জমা করতে যায়। এর পর সরাসরি ঘুস চাওয়া হলে দিতে অস্বীকৃতি জানাই। এজন্য বিভিন্ন অজুহাতে হয়রানির স্বীকার হই। এবং পরবর্তীতে ঘুস দিতে বাধ্য হই।এর পর পুলিশ ভেরিফিকেশনের জন্য NSI এর এক কর্মকর্তাকে ৫০০ টাকা ঘুস দিতে হয়েছে। ঘুস দিতে অনিচ্ছুক এক ব্যক্তিকে আমার সামনেই চড়ম ভাবে অপদস্ত হতে দেখেছি।

বিবরণ
টাকার পরিমাণ ৳১,১৫০
যে কাজের জন্য পাসপোর্টের আবেদন
দপ্তর পাসপোর্ট অফিস
বিভাগ রংপুর
থানা / উপজেলা পঞ্চগড়
রিপোর্টের তারিখ ২৮ আগস্ট ২০২৬
কতজন দেখেছেন ১ বার
এই দপ্তরের সব রিপোর্ট
মন্তব্য

মন্তব্য

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।

মন্তব্য সবাই দেখতে পাবে। নাম না দিলে বেনামী হিসেবেই থাকবে। কারও নাম, ঠিকানা বা ফোন নম্বর লিখবেন না।

একই দপ্তরের আলোচিত রিপোর্ট

পাসপোর্ট অফিস

পাসপোর্ট

আমি একজন স্টুডেন্ট আমি আবেদন করার সময় লেবার সিলেক্ট করি ভুলে এখন নাকি লেবার তার ডকুমেন্টস লাগবে আমার জানা মতে এমন কোন ডকুমেন্টস হয় না এটা তাদের জানালে তারা একটা নাম্বার দেয় এবং তার সাথে যোগাযোগ করতে বলে পরে যোগাযোগ করলে ৩৫০০ টাকা দাবি করে অবশেষে টাকা দিলে পরে আমার পাসপোর্ট এর কগজ এবং ফিঙ্গার নেয়

ঘুষ দিয়েছি
ঝালকাঠি ৳৩.৫ হাজার
১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৪৫
মন্তব্য
পাসপোর্ট অফিস

পাসপোর্ট তৈরির জন্য ফিঙ্গার এবং ছবি উঠানো

ঘটনাটা এই বছরের নয় গত বছরের। আমার IELTS পরীক্ষার জন্য পাসপোর্টের প্রয়োজন ছিল। অনলাইনে আবেদন সাবমিট করে যেদিন ফিঙ্গার ও ছবি উঠানোর জন্য যাই সেদিন সমস্ত কাগজ ঠিক থাকার পরেও আমাকে ফেরত পাঠানো হয়। পরবর্তীতে আমার পরিচিত একজন আত্মীয়ের মাধ্যমে পাসপোর্ট অফিসের সামনে অবস্থিত কম্পিউটারের দোকানের মাধ্যমে উপরে উল্লেখিত নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা প্রদান করি। পরবর্তীতে জানতে পারি ওখানে অবস্থিত সকল টেক দোকানগুলোর কাজ হলো এটা।

ঘুষ দিয়েছি
বগুড়া ৳১.১ হাজার
২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মন্তব্য