ইমার্জেন্সি বিভাগ বাধ্য হয়ে ঘুষ দিতে হয়েছে

আমার বাবা এক্সিডেন্ট করলে কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালের ইমার্হেন্সি-তে নিয়ে গেলে সেখানকার বয় আমাকে বেশকিছু দৈর্ঘের ব্যান্ডেজ এর কথা বলে এবং জানায় যে, তাদের কাছে সেই ব্যান্ডেজ নেই৷ আমি পাশে থাকা ফার্মেসি-গুলোতে গিয়ে খুঁজেও সেইগুলো পাই নাই৷ এরপর না পাওয়ার বি্‌য়টি ফিরে এসে জানালে বলে যে- 'চা-পানির কিছু পয়সা দিয়েন ম্যানেজ করে দিচ্ছি।' পকেট থেকে ২০০টাকা বের করে দিলাম, আর সব কাজ হয়ে গেলো। পরিস্থিতি এমন ছিলো যে, ঘুষ দাবীকৃত ব্যক্তির নাম ও পরিচয় যাচাই করার মতো সময় ও সুযোগ ছিলো না৷ তবে, দেখলাম যে, ইমার্জেন্সি-তে আসা সকল ব্যক্তির কাছ থেকেই কম-বেশী টাকা নিচ্ছে

বিবরণ
টাকার পরিমাণ ৳২০০
যে কাজের জন্য ইমার্জেন্সি বিভাগ
দপ্তর সরকারি হাসপাতাল
বিভাগ ঢাকা
থানা / উপজেলা Dhaka
রিপোর্টের তারিখ ২৫ আগস্ট ২০২৬
কতজন দেখেছেন ১ বার
এই দপ্তরের সব রিপোর্ট
মন্তব্য

মন্তব্য

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।

মন্তব্য সবাই দেখতে পাবে। নাম না দিলে বেনামী হিসেবেই থাকবে। কারও নাম, ঠিকানা বা ফোন নম্বর লিখবেন না।

একই দপ্তরের আলোচিত রিপোর্ট

সরকারি হাসপাতাল

রোগি ভর্তিকরণ

রোগী ভর্তি করাতে যেয়ে উনারা বলতেছিলো সিট খালি নেই। পরে একজন আয়াকে ৫০০ টাকা দিতেই উনি ভিতরে গিয়ে নিজে কেমনে কী করে আসলো। সিট পেয়ে গেলাম

ঘুষ দিয়েছি
সিলেট ৳৫০০
২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মন্তব্য
সরকারি হাসপাতাল

ছাড়পত্র

কিডনি বিভাগে ভর্তি হয়েছি। তারপর ছাড়পত্র আনার সময় ওয়ার্ল্ড বয় চা নাস্তা বাবদ কিছু টাকা দাবি করে।। তারপর তা পরিশোধ করি।

ঘুষ দিয়েছি
খুলনা মেডিকেলে ৳১০০
২৪ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য