আমার মা কিছুদিন আগে পেনশনে যান। তখন তার লাম্প-গ্রান্ট এর টাকা উত্তলন করতে উপজেলা হিসাবরক্ষণ অফিসে গেলে সেখানকার কর্মরত অফিসার তার কাছে চা নাস্তা ও আনুষঙ্গিক খরচের কথা বলে তার কাছথেকে ১০/১২ হাজারের মতো টাকা দাবি করেন। মা পরে তার সহকর্মী যারা ইতোমধ্যে পেনশনে চলে গেছেন তাদের পরামর্শ নিতে গিয়ে দেখেন তাদের থেকেও একই ধরনের কথা বলে এভাবে টাকা নিয়েছেন। পরে মা এক প্রকার বাধ্য হয়ে ৯০০০ টাকা ঘুষ হিসেবে দিয়ে তার লাম্প-গ্রান্ট এর বিলটি পাস করান। এই একই অফিস পরবর্তীতে মার ভবিষ্যত তহবিল ও পেনশনের টাকা উত্তলনের সময় ঘুষ নিয়ে তারপর বিল গুলো পাস করেন।
আমাকে বলা হয়েছিল, অডিট ফেস করার জন্য ভবিষ্যতে লাগবে।
আমার ভ্রমণ ভাতার বিল করতে গিয়ে এই অর্থ দাবি করা হয়। তখন জানতে পারি হিসাবরক্ষণ অফিসে যেকোন বিল করতে বিলের ৫ শতাংশ অর্থ দিতে হয়।
ময়মনসিংহ হিসাব সংরক্ষণ অফিসে ৫% ঘুষ ছাড়া টিএডিএ বিল পাশ করে না। আমাদের সরকারি কর্মকর্তাদের অনেক বিল ৫% টাকা ছাড়া বিল পাশ করে না।
বদলীর জন্য LPC দরকার হয়। সেজন্য সময়ক্ষেপণ করা হয়। কারন জানতে চাইলে ২০০০ টাকা চাওয়া হয়। আমার জরুরি প্রয়োজন বিধায় টাকা দিতে বাধ্য হই।
মন্তব্য ০
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।