হাসপাতালে ছাড়পত্র বাধ্য হয়ে ঘুষ দিতে হয়েছে

আমি তখন ইন্টারণ ডাক্তার। অন্য সরকারি মেডিকেল কলেকে। আব্বার হঠাৎ ড্রাগ রি একশন করায়, আব্বাকে চট্রগ্রাম মেডিকেলে মেডিসিন ওয়ার্ডে ভর্তি করায়৷ আব্বা ১০ /১৫ দিন হাসপাতালে ছিলেন। পরে যখন ছাড়পত্র দে, নার্স/আয়া বুয়া সবাই উঠে পড়ে লাগে আমার আম্মাকে বকশিস দেওয়ার জন্য। ওরা না কি অনেক কষ্ট করছে। কি কষ্ট করছে, ওরাই জানে। শুধু রুটিন দায়িত্ব পালন করছে। সারাদিন ওদেরকে ডাকতে ডাকতে আমি ক্লান্ত হয়ে যেতাম। এস এ ডাক্তার হয়েও। যদীও আমার মা থেকে ওরা জোর করে ১০০০ টাকা আদায় করেছিল..

বিবরণ
টাকার পরিমাণ ৳১,০০০
যে কাজের জন্য হাসপাতালে ছাড়পত্র
দপ্তর সরকারি হাসপাতাল
বিভাগ চট্টগ্রাম
থানা / উপজেলা চট্রগ্রাম
রিপোর্টের তারিখ ২৬ আগস্ট ২০২৬
কতজন দেখেছেন ১ বার
এই দপ্তরের সব রিপোর্ট
মন্তব্য

মন্তব্য

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।

মন্তব্য সবাই দেখতে পাবে। নাম না দিলে বেনামী হিসেবেই থাকবে। কারও নাম, ঠিকানা বা ফোন নম্বর লিখবেন না।

একই দপ্তরের আলোচিত রিপোর্ট

সরকারি হাসপাতাল

রোগি ভর্তিকরণ

রোগী ভর্তি করাতে যেয়ে উনারা বলতেছিলো সিট খালি নেই। পরে একজন আয়াকে ৫০০ টাকা দিতেই উনি ভিতরে গিয়ে নিজে কেমনে কী করে আসলো। সিট পেয়ে গেলাম

ঘুষ দিয়েছি
সিলেট ৳৫০০
২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মন্তব্য
সরকারি হাসপাতাল

ছাড়পত্র

কিডনি বিভাগে ভর্তি হয়েছি। তারপর ছাড়পত্র আনার সময় ওয়ার্ল্ড বয় চা নাস্তা বাবদ কিছু টাকা দাবি করে।। তারপর তা পরিশোধ করি।

ঘুষ দিয়েছি
খুলনা মেডিকেলে ৳১০০
২৪ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য