পাসপোর্ট নবায়ন বাধ্য হয়ে ঘুষ দিতে হয়েছে

আমি নিজে অনলাইনে আমার পাসপৌর্টের ফরম ফিলাপ করে ফিঙ্গার প্রিন্ট দেয়ার তারিখে সিলেট পাসপোর্ট অফিসে উপস্থিত হতে আমাকে প্রথমে রুহিঙ্গা টেষ্ট করতে বলা হয়। পরবর্তিতে একজন আনসার সদস্য দাবি করেন নিজে নিজে ফরম ফিলাপ করলে হবেনা, দালাল ওথভা কোন ট্রাভেন এজেন্সি দিয়ে করাতে হবে। আমাকে ৫০০০টাকা দিলে করে দিতে পারবেন বলে তার মোবাইল নাম্বার দেন। পরবর্তিতে আবার ফিঙ্গার প্রিন্ট দিতে ২য় তলায় গেলে অফিস থেকে কোন কারন ছাড়াই হবেনা বলে আমাকে বের করে দেয়া হয়। এভাবে অনেকবার এই রুম থেকে অই রুমে ঘুরতে ঘুরতে এক সময় কর্তব্য রত আর এক পুলিশ একই ভাবে ৫০০০টাকা দিলে করে দিতে পারবেন বলেন। উপায় না দেখে বাধ্য হয়ে ৫০০০টাকা দিয়ে ছবি ও ফিঙ্গার প্রিন্ট দিয়ে আসি। পরে তদন্ত কর্মকর্তা আমার ১০০০টাকা দাবি করেন।

বিবরণ
টাকার পরিমাণ ৳৬,০০০
যে কাজের জন্য পাসপোর্ট নবায়ন
দপ্তর পাসপোর্ট অফিস
বিভাগ সিলেট
থানা / উপজেলা সিলেট
রিপোর্টের তারিখ ২৪ আগস্ট ২০২৬
কতজন দেখেছেন ১ বার
এই দপ্তরের সব রিপোর্ট
মন্তব্য

মন্তব্য

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।

মন্তব্য সবাই দেখতে পাবে। নাম না দিলে বেনামী হিসেবেই থাকবে। কারও নাম, ঠিকানা বা ফোন নম্বর লিখবেন না।

একই দপ্তরের আলোচিত রিপোর্ট

পাসপোর্ট অফিস

পাসপোর্ট

আমি একজন স্টুডেন্ট আমি আবেদন করার সময় লেবার সিলেক্ট করি ভুলে এখন নাকি লেবার তার ডকুমেন্টস লাগবে আমার জানা মতে এমন কোন ডকুমেন্টস হয় না এটা তাদের জানালে তারা একটা নাম্বার দেয় এবং তার সাথে যোগাযোগ করতে বলে পরে যোগাযোগ করলে ৩৫০০ টাকা দাবি করে অবশেষে টাকা দিলে পরে আমার পাসপোর্ট এর কগজ এবং ফিঙ্গার নেয়

ঘুষ দিয়েছি
ঝালকাঠি ৳৩.৫ হাজার
১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৪৫
মন্তব্য
পাসপোর্ট অফিস

পাসপোর্ট তৈরির জন্য ফিঙ্গার এবং ছবি উঠানো

ঘটনাটা এই বছরের নয় গত বছরের। আমার IELTS পরীক্ষার জন্য পাসপোর্টের প্রয়োজন ছিল। অনলাইনে আবেদন সাবমিট করে যেদিন ফিঙ্গার ও ছবি উঠানোর জন্য যাই সেদিন সমস্ত কাগজ ঠিক থাকার পরেও আমাকে ফেরত পাঠানো হয়। পরবর্তীতে আমার পরিচিত একজন আত্মীয়ের মাধ্যমে পাসপোর্ট অফিসের সামনে অবস্থিত কম্পিউটারের দোকানের মাধ্যমে উপরে উল্লেখিত নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা প্রদান করি। পরবর্তীতে জানতে পারি ওখানে অবস্থিত সকল টেক দোকানগুলোর কাজ হলো এটা।

ঘুষ দিয়েছি
বগুড়া ৳১.১ হাজার
২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মন্তব্য