ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন
ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন করতে গিয়েছিলাম,,২৬৯১ টাকার রশিদ দিয়েছে,, কিন্তু অতিরিক্ত ৫০০ টাকা দিতে হয়েছে, নইলে কোনভাবেই দিচ্ছিলো না,,টঙ্গী পৌরসভা অফিস
DKMUG7KP
গত বছর আমার ফ্লাটের রেজিস্ট্রেশান সম্পন্ন করি। কয়েকমাস পর, রাজউক মতিঝিল শাখায় যাই সকল কাগজপত্র নিয়ে নামজারি বা মিউটেসান করতে যাই। উনারা আমাকে বলে সব ঠিক আছে অফিস খরচ ২হাজার আর টেবিল খরচ ২০০০০। আমি বললাম ভাই আমার তো কোনও ইস্যু নাই কাগজপত্রে, কেন এক্সট্রা লাগবে? উনি বলেন যে ভাই টাকা না দিলে আপনার খুত বের করার জন্য বিভিন্ন টেবিলে লোক বসে আছে, আর আপনার যেঁই পরিমাণ আসা যাওয়া দৌড়াদৌড়ী করা লাগবে তাতে আপনার কাছে এই টাকা অনেক কম। আজ টাকা দিয়ে যান অর্ধেক, এক সপ্তাহ পর এসে কাগজ নিয়ে যাবেন। না হলে কয়মাস লাগে ঠিক নাই। শেষ পর্যন্ত আমি আমার এক পরিচিত সরকারি লোকের সাথে কথা বলি, উনি বলেন যে, আপনি নিজে চাকরি করে এতো দৌড়াদৌড়ি করতে পারবেন না, দিয়ে দেন। না দিলে বরং ঝামেলা অনেক হবে, বাধ্য হয়ে টাকা দেই।
ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন করতে গিয়েছিলাম,,২৬৯১ টাকার রশিদ দিয়েছে,, কিন্তু অতিরিক্ত ৫০০ টাকা দিতে হয়েছে, নইলে কোনভাবেই দিচ্ছিলো না,,টঙ্গী পৌরসভা অফিস
There's unofficial people roaming inside of the DNCC office in Mohakhali who would say it is not possible at first only to make you bribe them.
ট্রেড লাইসেন্সের কাজ অনলাইন ওয়েবসাইট বানায় রাখলেও এসব কাজ অনলাইনে কিছুই হয় না। সব দালাল আর ঘুরে ঘুরে করা লাগে ডিএনসিসি অফিস, ওয়ার্ড নং ২৮ ই '—' নাম এর একজন ঘূষ নিসে ট্রেড লাইসেন্স সাথে করে দিবে আর টাকা না দিলে কাজ করতে ১ সপ্তাহ লাগবে। তাই আমি বাধ্য হয়ে ১০০০ টাকা ঘুষ দেই। ঘুষ দেয়ার সাথে সাথে ১ দিনের মধ্যে ৩-৪ জন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তার স্বাক্ষর নিয়ে নেয় এই ব্যাক্তি । এই অফিসে যতজন কাজ করে সবাই নিজের সাথে দালাল রাখে। নিজেরা ভালো মানুষ হয়ে বসে থাকে আর দালাল দিয়ে কাজ চালায়
আমি দোকানের জন্য একটি ট্রেড লাইসেন্স করতে ঢাকা দক্ষিণ সিটির খিলগাঁও, তিলপাড়ায় যাই। সরকারি ফি- 4075 টাকা, কিন্তু তারা দাবি করে- 7000 টাকা। অবশেষে আমি 6000 টাকায় কাজ সম্পন্ন করি।
Comments 0
No comments yet. Be the first.