Into Bond & Ex-Bond
প্রতিমাসে Into Bond & Ex-Bond করতে অফিসারদেরকে এরকম টাকা দেওয়া লাগে।
সরকারি ভ্যাট প্রদান ছাড়াও প্রতিটি ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানকে প্রতি মাসে ৫০০ থেকে ১০০০০ টাকা পর্যন্ত ঘুষ দিতে হয় কাস্টমস ও ভ্যাট অফিসে এবং তা বাধ্যতামূলক, অতিরিক্ত ভ্যাট আদায় করার লক্ষ্যে তারা সবসময় ভয়-ভীতি দেখায় এবং ব্যবসায়িক সমিতি বাধ্য হয়ে তাদের সঙ্গে মিটিং করে প্রতিষ্ঠান প্রতি ছোট বড় হিসেবে একটা ঘুষ নির্ধারণ করে দেয়, সেটাই দীর্ঘ কয়েক বছর থেকেই আমরা দিয়ে আসছি, আফসোস সেটার কোন পরিবর্তন এখনো হয়নি, এবং কখনো হবেও না আমরা মেনে নিয়েছি এই ব্যবস্থা
প্রতিমাসে Into Bond & Ex-Bond করতে অফিসারদেরকে এরকম টাকা দেওয়া লাগে।
জেটি কাস্টমস চট্টগ্রাম এর জয়েন কমিশনার — এর ছত্রছায়ায় অসাধু কর্মকর্তাদের একটি চক্র পণ্য পরীক্ষণে বিপুল পরিমাণ অর্থ আদায় করছে। নাহলে অযথা বিলম্ব করে নানাভাবে হয়রানি করে। এজন্য পণ্য খালাসে বিলম্ব হচ্ছে। অহেতুক মামলার সম্মুখীন হতে হচ্ছে।
চট্টগ্রাম কাস্টম এর শুল্কায়ন গ্রুপ ৪ এর সহকারী কমিশনার — একটি পণ্য চালান ছাড়ের ১৫০০০০ লক্ষ টাকা দাবি করেন। পরবর্তীতে পণ্য ডেমারেজ এর কথা চিন্তা করে ১২০০০০ টাকা দিয়ে সমাধান করা হয়। এই গ্রুপে অযথা পণ্য শুল্কায়ন ফাইলে হয়রানি হতে হয়।
আমাদের কোম্পানীর একটি আমদানীকৃত মেশিনারি আমদানী পযায়ে এইচএস কোড ভূল ভাবে মূল্যায়ন করে আমদানী টেক্স বাবাদ প্রায় ১৫০,০০,০০০/- দাবী করা হয়। যা শতভাগ অন্যায় ছিল। কিন্তু আমাদের কোম্পানী নিরুপায় হয়ে ১৬,০০,০০০/- ঘুষ প্রদান করে উক্ত চালানটি ছাড় করাতে বাধ্য হয়। তা না হলে আমাদের কোম্পানীর আর ও বড় ক্ষতি হত। হ্যাঁ আমরা স্বীকার করছি কাজটি অন্যায় কিন্তু এ ছাড়া আমাদের আর কোন উপায় ছিল না। আমরা যদি কাস্টমস এর সঙে এই ব্যাপারে উচ্চতর আপিল করে উক্ত চালানটি ছাড় করাতে যেতাম তা হলে অনেক সময় লাগত। ততদিনে বন্দর এর ডেমারেজ এবং শিপিং লাইনের ডেমারেজ সহ উক্ত মেশিনারি দ্বারা যেই পণ্য উৎপাদন করা হবে তাও হত না। এসব কথা বিবেচনা করে আমাদের কোম্পনী ঘুষ প্রদানে বাধ্য হয়।
মন্তব্য ০
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।