নতুন পাসপোর্ট করার প্রসঙ্গে বাধ্য হয়ে ঘুষ দিতে হয়েছে

আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস আপনার আফতাব নগর আমার ছোট ভাই পড়াশোনা করে ইউনিভার্সিটিতে নোয়াখালীতে। এখানে সমস্ত ডকুমেন্ট জমা দেওয়া হয়। তারপর বলা হয় ইউনিভার্সিটির আইডি কার্ড নোয়াখালীতে তাই দরখাস্ত বাতিল হবে। পরে ২০০০ টাকা দিয়ে এপ্লিকেশন সাবমিট করা হয়। পুরো প্রক্রিয়াটি দালালের মাধ্যমে করা হয় যা কিনা পাসপোর্ট অফিসের এপ্লিকেশন গ্রহণকারী নিজেই জড়িত। দালালকে টাকা দেওয়ার পর পুনরায় এপ্লিকেশনটি গ্রহণ করে কোনরকম কথা ছাড়াই।

বিবরণ
টাকার পরিমাণ ৳২,০০০
যে কাজের জন্য নতুন পাসপোর্ট করার প্রসঙ্গে
দপ্তর পাসপোর্ট অফিস
বিভাগ ঢাকা
থানা / উপজেলা Dhaka
রিপোর্টের তারিখ ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
কতজন দেখেছেন ২ বার
এই দপ্তরের সব রিপোর্ট
মন্তব্য

মন্তব্য

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।

মন্তব্য সবাই দেখতে পাবে। নাম না দিলে বেনামী হিসেবেই থাকবে। কারও নাম, ঠিকানা বা ফোন নম্বর লিখবেন না।

একই দপ্তরের আলোচিত রিপোর্ট

পাসপোর্ট অফিস

পাসপোর্ট

আমি একজন স্টুডেন্ট আমি আবেদন করার সময় লেবার সিলেক্ট করি ভুলে এখন নাকি লেবার তার ডকুমেন্টস লাগবে আমার জানা মতে এমন কোন ডকুমেন্টস হয় না এটা তাদের জানালে তারা একটা নাম্বার দেয় এবং তার সাথে যোগাযোগ করতে বলে পরে যোগাযোগ করলে ৩৫০০ টাকা দাবি করে অবশেষে টাকা দিলে পরে আমার পাসপোর্ট এর কগজ এবং ফিঙ্গার নেয়

ঘুষ দিয়েছি
ঝালকাঠি ৳৩.৫ হাজার
১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৫১
মন্তব্য
পাসপোর্ট অফিস

পাসপোর্ট তৈরির জন্য ফিঙ্গার এবং ছবি উঠানো

ঘটনাটা এই বছরের নয় গত বছরের। আমার IELTS পরীক্ষার জন্য পাসপোর্টের প্রয়োজন ছিল। অনলাইনে আবেদন সাবমিট করে যেদিন ফিঙ্গার ও ছবি উঠানোর জন্য যাই সেদিন সমস্ত কাগজ ঠিক থাকার পরেও আমাকে ফেরত পাঠানো হয়। পরবর্তীতে আমার পরিচিত একজন আত্মীয়ের মাধ্যমে পাসপোর্ট অফিসের সামনে অবস্থিত কম্পিউটারের দোকানের মাধ্যমে উপরে উল্লেখিত নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা প্রদান করি। পরবর্তীতে জানতে পারি ওখানে অবস্থিত সকল টেক দোকানগুলোর কাজ হলো এটা।

ঘুষ দিয়েছি
বগুড়া ৳১.১ হাজার
২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১১
মন্তব্য