RJ2TKG56

পাসপোর্ট তৈরি। বাধ্য হয়ে ঘুষ দিতে হয়েছে

পাসপোর্ট তৈরির জন্য প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টস সাবমিট করার পরও একাধিক বার বাতিল করা হয়। এভাবে ৪র্থ বার বাতিলের পর তারা আমার সাথে রুঢ় ব্যাবহার করে। আমি তখন অফিসের জিএম এর সাথে দেখা করতে চাই। জিএম আমাকে নিজেই একজন আনসার কর্মী ডেকে আমাকে আড়ালে নিয়ে যেয়ে সব বুঝিয়ে দিতে বলে। সেই আনসার কর্মীই জিএম এর হয়ে টাকা টা দাবি করেছিল। বলা হয়েছিল উক্ত ১৫০০ টাকার ৫০০ টাকা পুলিশকে দেয়া হয় ভেরিফিকেশনের জন্য। আর বাকি টাকা পাসপোর্ট অফিসের কর্মকর্তারা পান। ১৫০০ টাকা আনার কাছে বিকাশে নেয়া হয়েছিল। সাল ২০২০। ঘুষ দেয়ার ঠিক পরদিনই আমার কাগজ একসেপ্ট হয়। তার ১ সপ্তাহের মধ্যে আমি পাসপোর্ট হাতে পাই।

বিবরণ
টাকার পরিমাণ ৳১,৫০০
যে কাজের জন্য পাসপোর্ট তৈরি।
দপ্তর পাসপোর্ট অফিস
বিভাগ রাজশাহী
থানা / উপজেলা জয়পুরহাট
রিপোর্টের তারিখ ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
কতজন দেখেছেন ৩০ বার
এই দপ্তরের সব রিপোর্ট
০ মন্তব্য

মন্তব্য ০

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।

মন্তব্য সবাই দেখতে পাবে। নাম না দিলে বেনামী হিসেবেই থাকবে। কারও নাম, ঠিকানা বা ফোন নম্বর লিখবেন না।

একই দপ্তরের আলোচিত রিপোর্ট

পাসপোর্ট অফিস

পাসপোর্ট

আমি একজন স্টুডেন্ট আমি আবেদন করার সময় লেবার সিলেক্ট করি ভুলে এখন নাকি লেবার তার ডকুমেন্টস লাগবে আমার জানা মতে এমন কোন ডকুমেন্টস হয় না এটা তাদের জানালে তারা একটা নাম্বার দেয় এবং তার সাথে যোগাযোগ করতে বলে পরে যোগাযোগ করলে ৩৫০০ টাকা দাবি করে অবশেষে টাকা দিলে পরে আমার পাসপোর্ট এর কগজ এবং ফিঙ্গার নেয়

ঘুষ দিয়েছি
ঝালকাঠি ৳৩.৫ হাজার
১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ২১৪ BRA9CLA5
০ মন্তব্য
পাসপোর্ট অফিস

পাসপোর্ট তৈরির জন্য ফিঙ্গার এবং ছবি উঠানো

ঘটনাটা এই বছরের নয় গত বছরের। আমার IELTS পরীক্ষার জন্য পাসপোর্টের প্রয়োজন ছিল। অনলাইনে আবেদন সাবমিট করে যেদিন ফিঙ্গার ও ছবি উঠানোর জন্য যাই সেদিন সমস্ত কাগজ ঠিক থাকার পরেও আমাকে ফেরত পাঠানো হয়। পরবর্তীতে আমার পরিচিত একজন আত্মীয়ের মাধ্যমে পাসপোর্ট অফিসের সামনে অবস্থিত কম্পিউটারের দোকানের মাধ্যমে উপরে উল্লেখিত নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা প্রদান করি। পরবর্তীতে জানতে পারি ওখানে অবস্থিত সকল টেক দোকানগুলোর কাজ হলো এটা।

ঘুষ দিয়েছি
বগুড়া ৳১.১ হাজার
২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৮২ RJ6GQSK6
০ মন্তব্য