অফিসিয়াল যেকোন কাজ বাধ্য হয়ে ঘুষ দিতে হয়েছে

সুনামগঞ্জ জেলার ছাতক উপজেলার প্রাথমিক শিক্ষা অফিস চরম দূর্নীতিগ্রস্থ একটা অফিস। সেখানের বর্তমান অফিস সহকারী টাকা ছাড়া কোন কাজ করেনা। টাকা দিলে আপনার সাথে খুব ভালো ব্যবহার করবে। না দিলে আপনার সাথে সৌজন্যমূলক আচরণ করবেনা। টাকা দিলে এক সপ্তাহের কাজ পারলে একদিনে করে দিবে। আর টাকা না দিলে একদিনের কাজ একমাস লাগাবে। এখানে আর একটা উচ্চমান সহকারী ছিলো, বর্তমানে ক্যাশিয়ার পদে প্রমোশন পেয়ে মৌলভীবাজার জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে গেছে। সেও ছিলো আরো তিন ধাপ এগিয়ে। মৌলভীবাজারের শিক্ষকরা অচিরেই তার আসল চেহারা দেখতে পারবেন। যেগুলো বেশি টাকার কাজ সেক্ষেত্রে তারা শিক্ষা অফিসারের দোহাই দিয়ে শিক্ষকদের কাছ থেকে ঘুষ নিয়ে থাকে। কর্মকর্তাগণ কতটুকু জড়িত তদন্ত করলেই সঠিক তথ্য পাওয়া যাবে।

বিবরণ
টাকার পরিমাণ ৳২০,০০০
যে কাজের জন্য অফিসিয়াল যেকোন কাজ
দপ্তর শিক্ষা অফিস
বিভাগ সিলেট
থানা / উপজেলা ছাতক, সুনামগঞ্জ।
রিপোর্টের তারিখ ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
কতজন দেখেছেন ১ বার
এই দপ্তরের সব রিপোর্ট
মন্তব্য

মন্তব্য

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।

মন্তব্য সবাই দেখতে পাবে। নাম না দিলে বেনামী হিসেবেই থাকবে। কারও নাম, ঠিকানা বা ফোন নম্বর লিখবেন না।

একই দপ্তরের আলোচিত রিপোর্ট

শিক্ষা অফিস

শিক্ষক কল্যাণ ট্রাস্ট এর চিকিৎসা ভাতা

সরকারি ১৩ থেকে ২০ গ্রেডের কর্মচারীরা বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যাণ বোর্ড বিভাগীয় অফিস থেকে আবেদন করলে শিক্ষা সহায়তা ও চিকিৎসা সহায়তা ভাতা পেয়ে থাকেন। আমাদের কাহারোল উপজেলা, দিনাজপুরে প্রাথমিক শিক্ষা অফিস, একজন প্রধান শিক্ষক, কর্মচারী কল্যাণ বোর্ড এর বাস হেলপার এবং একজন অফিস সহকারী মিলে ঘুষ এর বাণিজ্য গড়ে তুলেছেন।

ঘুষ দিইনি
Kaharole ৳২.০ হাজার
২৫ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
শিক্ষা অফিস

শিক্ষা

ঢাবি অধিভুক্ত ময়মনসিংহ ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে বরাবরই প্রতি সেমিস্টারে সাধারণ শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে নির্ধারিত অর্থের থেকে বেশি অর্থ আদায় করে। কলেজটিতে কোনো পরিবহন না থাকা স্বত্বেও শিক্ষার্থীদের কাছে থেকে পরিবহন ভাড়া নেওয়া হয়। হলের ভাড়া বাবদ ২০০ টাকা নেওয়ার কথা থাকলেও ৪০০ নেয়। কলেজে সম্পূর্ণ মেধার ভিত্তিতে শিক্ষার্থী নির্বাচনের নিয়ম থাকা সত্ত্বেও, অর্থের বিনিময়ে হুমায়ূন কবির ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ নামক একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের মেধাতালিকাভুক্ত শিক্ষার্থীদের সাথে একই ক্লাসে পড়ানো হয়। কলেজটির গভার্নিং বডি এবং শিক্ষকরা শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে প্রতিনিয়ত সিস্টেমেটিকভাবে ঘুষ নেয়। (সংযুক্ত অর্থের সংখ্যাটি প্রতি ৬ মাসের অতিরিক্ত আদায়কৃত অর্থে পরিমাণ নির্দেশ করে)

ঘুষ দিয়েছি
রহমতপুর বাইপাস, সদর, ময়মনসিংহ ৳৩০.০০ লাখ
২৫ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
শিক্ষা অফিস

সার্টিফিকেট তোলা সংক্রান্ত বিষয়।

ইন্টার্নশীপ শেষে বিএমডিসি সার্টিফিকেট পেতে চট্টগ্রাম মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রয়োজনীয় সার্টিফিকেট ও ডকুমেন্টস নিতে স্পিড মানি নামে প্রতি ইন্টার্ন হতে নেওয়া হয়।না দিলে ঘুরানো হয়।অনলাইনে এসব আবেদন না থাকাকে বড় সুযোগ হিসেবে নেয়।

ঘুষ দিয়েছি
চট্টগ্রাম ৳৪.৫ হাজার
১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মন্তব্য
শিক্ষা অফিস

শিক্ষক নিয়োগ গভর্নিং বডি

এনটিআরসি নিয়োগ দিয়েছিল, কিন্তু গভর্নিং বডি টাকা ছাড়া সাইন দিচ্ছিল না। পরে সবাই টাকা দিতে রাজি করায় ৩ মাসের বেতনের সমপরিমাণ

ঘুষ দিয়েছি
গফরগাও ৳১২.০ হাজার
২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মন্তব্য