সমাধান
টাকা দিলে সমাধান করে দিবে নাতো জমি পাব না, জোর করে দখল করে নিচ্ছে তাও সমাধান করে দিবে না।
নামজারী এই সেবায় প্রতি নথি দুই থেকে পাঁচ ক্ষেত্র বিশেষ দশ থেকে বিশ হাজার টাকা ঘুষ দিতে হয় ।খাজনা পরিশোধ এই সেবায় এক হতে দশ হাজার টাকা ঘুষ দিতে হয় ।মিস কেইস এই সেবায় টাকা ছাড়া ফাইল নড়ে না । টাকা আদায়ের কৌশল ১। নামের ভিন্নতা ভোটা আই ডি এবং দলিলে, এফিডেফিট করা আছে কিন্তু আবেদন নামন্জুর ।খতিয়ানের হিস্যায় দলিল হয়েছে কিন্তু নামজারী আবেদন করলে আবেদন না মন্জুর ।দলিল ও নকশায় দাগ নন্বর ঠিক আছে কিন্তু সুচি বইয়ে দাগ নন্বর ভূল এর জন্য আবেদন নামন্জুর ।ওয়ারিশ সনদে নাম আছে ৫ জনের দলিল দিয়েছে ২ জন তাই আবেদন নামন্জুর ,দলিল রেজিষ্টি করেছে সাব রেজিষ্টার ভূলের মাশুল দিবে জনগণ ।এ রকম বিভিন্ন কায়দায় ফেলে আবেদন নামন্জুর করে ,তখনই শুরু হয় টাকার খেলা । কারণ আমি য়খন জমি বিক্রি করেছি নামজারী আমাকে করতেই হবে ।
টাকা দিলে সমাধান করে দিবে নাতো জমি পাব না, জোর করে দখল করে নিচ্ছে তাও সমাধান করে দিবে না।
বিডিএস জরিপ এর জন্য ১ লক্ষ টাকা চেয়েছিলেন। ৩০০০০/= টাকা দিয়ে কাজ করানো হয়েছে। এভাবে প্রত্যেকের কাছ থেকে টাকা নিয়ে কাজ করা হচ্ছে।
যৌথ বাড়ি নির্মাণ ও নকশা, প্লান পাশ অনুমতি জন্য। বাড়ি নির্মাণ অনুমতি পেতে নামজারিসহ যৌথ নির্মাণ অনুমতি, ভাঙ্গা গড়ার অনুমতি পেতে।
ভূমি কর দিতে আব্বা গিয়েছিল। কিন্তু আমাদের Tax. গত বছরেরই সব পরিশোধ করা হয়েছিল। আব্বা সাধারণ মানুষ। ১০ টাকার একটা স্লিজ বের করে ২০০ টাকা নিয়েছে। গতবছর আমার আব্বাকে বলেছিল মোট ১৪ হাজার টাকা লাগবে। আমি সেই কাহ্জ চলতি বছর ফেব্রুয়ারিতে ৫২৬৫ টাকায় করেছি
মন্তব্য ০
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।