আমি রাজশাহী পলিটেকনিকের একজন শিক্ষক। রাজশাহী পলিটেকনিকের 65 জন নব্যযোগদানকৃত শিক্ষকদের শিক্ষা মন্ত্রনালয় থেকে দেওয়া এনক্রিমেন্টর অর্ডার হওয়ার পর টাকা পাওয়ার জন্য প্রত্যেককে ৮০০০ করে মোট ৫২০০০০টাকা এজি অফিস রাজশাহীকে দিতে হয়েছে । টাকাটা নিয়েছে এডিটর দাদা। এছাড়া চাকরিতে যোগদানের সময় আরো জনপ্রতি ৪০০০ টাকা করে মোট ২৬০০০০ দিতে হয়েছে পে ফিক্সেশন জন্য । সিনিয়র শিক্ষকদের কাছে শুনেছি এজ অফিস মানে ঘুষ। যে কোনো সেবা তথা টিএবিল, পে ফিক্সেশন, পেনশন, বকেয়া টাকা ইত্যাদির ক্ষেত্রে ২০% করে দিতে হয় তাদেরকে।
আমাকে বলা হয়েছিল, অডিট ফেস করার জন্য ভবিষ্যতে লাগবে।
আমার ভ্রমণ ভাতার বিল করতে গিয়ে এই অর্থ দাবি করা হয়। তখন জানতে পারি হিসাবরক্ষণ অফিসে যেকোন বিল করতে বিলের ৫ শতাংশ অর্থ দিতে হয়।
ময়মনসিংহ হিসাব সংরক্ষণ অফিসে ৫% ঘুষ ছাড়া টিএডিএ বিল পাশ করে না। আমাদের সরকারি কর্মকর্তাদের অনেক বিল ৫% টাকা ছাড়া বিল পাশ করে না।
বদলীর জন্য LPC দরকার হয়। সেজন্য সময়ক্ষেপণ করা হয়। কারন জানতে চাইলে ২০০০ টাকা চাওয়া হয়। আমার জরুরি প্রয়োজন বিধায় টাকা দিতে বাধ্য হই।
মন্তব্য ০
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।