Marriage certificate Apostle বাধ্য হয়ে ঘুষ দিতে হয়েছে

আমি নরসিংদী সদর সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের অধীনে অনলাইনের মাধ্যমে ম্যারেজ সার্টিফিকেটের অ্যাপোস্টিল (Apostille) ভেরিফিকেশনের আবেদন করেছিলাম।আবেদন করার পর প্রায় সাড়ে তিন মাস পার হয়ে গেলেও ফাইলের কোনো অগ্রগতি হচ্ছিল না। অনলাইন ট্র্যাকিংয়ে শুধু প্রথম ধাপে 'রিসিভড' দেখাচ্ছিল, কিন্তু কাজ আর সামনে এগোচ্ছিল না। অনেকদিন অপেক্ষার পর অনলাইনে অভিযোগ জানিয়েছি এবং সংশ্লিষ্ট দপ্তরে ইমেইল করার কথাও ভেবেছিলাম। কিন্তু কাজের কাজ কিছুই হচ্ছিল না। পরে বিভিন্ন মাধ্যমে জানতে পারি যে, এখানে মূলত ঘুষ ছাড়া কোনো ফাইল অনুমোদন পায় না। আগের নিয়মে কাজগুলো স্বাভাবিকভাবে হলেও সাম্প্রতিক সময়ে এই ঘুষের প্রবণতা অতিরিক্ত মাত্রায় বেড়ে গেছে।কোনো উপায় না দেখে আমি আমার পরিবারের সদস্যদের সরাসরি নরসিংদী সদর অফিসসেখানে যাওয়ার

বিবরণ
টাকার পরিমাণ ৳৫,০০০
যে কাজের জন্য Marriage certificate Apostle
দপ্তর সাব-রেজিস্ট্রি অফিস
বিভাগ ঢাকা
থানা / উপজেলা Narsingdi
রিপোর্টের তারিখ ২৬ আগস্ট ২০২৬
কতজন দেখেছেন ১ বার
এই দপ্তরের সব রিপোর্ট
মন্তব্য

মন্তব্য

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।

মন্তব্য সবাই দেখতে পাবে। নাম না দিলে বেনামী হিসেবেই থাকবে। কারও নাম, ঠিকানা বা ফোন নম্বর লিখবেন না।

একই দপ্তরের আলোচিত রিপোর্ট

সাব-রেজিস্ট্রি অফিস

নাম জারি

জমি রেজিস্ট্রেশন করার পরে নামজারী করতে আফতাব নগর ভূমি অফিস এ গিয়েছিলাম, সরকারি ফ্র্রি ১১০০ টাকা করে ২২০০ টাকা তারা প্রথম এ ২৫০০০০ টাকা দাবি করে, কোনো উপায় না দেখে আমরা ২০০, ০০০ টাকা রাজি হয়। এতো টাকা দিয়ে কোথাও নামজারী কেউ করসে কি না জানা নাই। বাড্ডা আফতাব নগর ভূমি অফিস যেনো ঘুষ এর রাজ্যে।

ঘুষ দিয়েছি
আফতাব নগর ভূমি অফিস ৳২.০০ লাখ
২৫ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
সাব-রেজিস্ট্রি অফিস

নকল উত্তলন

আমার জমি এর দলিল এর সংশোধন এর জন্য কোর্ট থেকে আদেশ দেওয়া হয়েছিল। যথাযথ প্রসিডিউর (!) ফলো করে রেজিস্ট্রি অফিসে পাঠানো হয়। যিনি নকল বানাবেন উনি অতিরিক্ত চার্জ চান। আমি নেগোশিয়েশন করে একটু কম ধার্য করি। কাজ শুরুর আগে প্রায় অর্ধেক অ্যাডভান্স করার লাগে। কাজ শেষে বাকিটুকু দেই। না দিলে কাজ হত না এটা বলছি না। যেটা ২ সপ্তাহ লেগেছে সেটা হয়ত ৬ মাস বা তার বেশি লাগত।

ঘুষ দিয়েছি
ময়মনসিংহ ৳৪.৫ হাজার
২৭ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
সাব-রেজিস্ট্রি অফিস

জমি রেজিস্ট্রি

আমার বাবা, আমার চাচার কাছ থেকে জমি কিনেছিলো, কিন্তু রেজিস্ট্রি করা হয়েছিল না, অল্প সময়ের ব্যবধানে বাবা মারা যান, বাবা মারা যাওয়ার পর, জমির সব নাম অনলাইন করার জন্য সরকার থেকে তাগাদা দিল, তখন চাচা বললো যে এই সুযোগে তোদের দুই ভাই এর নাম রেজিস্ট্রিকরে নে, তো রেজিস্ট্রি করতে গিয়ে চার নামের বানান ভুল ধরা পরে, আর সেই ভুল শোধরানোর জন্য আমাদের অতিরিক্ত 12000 টাকা চাওয়া হয়

ঘুষ দিইনি
কুমারখালি, কুষ্টিয়া ৳১২.০ হাজার
২৬ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য