সমাধান
টাকা দিলে সমাধান করে দিবে নাতো জমি পাব না, জোর করে দখল করে নিচ্ছে তাও সমাধান করে দিবে না।
আমার ঘটনা পূর্বের। আমি আমার নিজ গ্রামের বাড়িতে বগুড়া জেলার গাবতলী থানার বাগবাড়ীতে। ২০২৫ সালের যখন আমার বোনের সাথে জমি বন্টননামা দলিল হয় তখন নামজারি তদন্ত ও খাজনা খারিজ এর অর্থ বাবদ সরাসরি আমার নিকট থেকে ২০০০০ টাকা পেচে ফেলে নিয়েছিল নশিপুর ইউনিয়ন ভূমি অফিসের প্রধান।সাথে আমার পারা পরশি ভাই সরাসরি উপস্থিত ছিল। টাকা না পাওয়া পর্যন্ত কাজ করে না।আবেদন এর ১ বছর পরে টাকা পাওয়ার পরই করেছিল। এখন আমি নামজারি করবো নিজের নামে আমার অংশ আমি খারিজ করবো এইজন্যই আমি আমার আইডিতে গত ২৮/০১/২৬ ইং তারিখে খাজনা দেবার উদ্দেশ্যে খতিয়ান আপলোড করি। কিন্তু আজ ০২/০৮/২৬ ইং এখন পর্যন্ত অঅনুমোদিত দেখাচ্ছে অনলাইনে।শুধু পার্শোনালি দেখা করতে বলে মোবাইলে বলে না সরাসরি দেখা হলেই বলে। আমি খাজনা দিতে পারবো না। ঘুষ ছাড়া।
টাকা দিলে সমাধান করে দিবে নাতো জমি পাব না, জোর করে দখল করে নিচ্ছে তাও সমাধান করে দিবে না।
বিডিএস জরিপ এর জন্য ১ লক্ষ টাকা চেয়েছিলেন। ৩০০০০/= টাকা দিয়ে কাজ করানো হয়েছে। এভাবে প্রত্যেকের কাছ থেকে টাকা নিয়ে কাজ করা হচ্ছে।
যৌথ বাড়ি নির্মাণ ও নকশা, প্লান পাশ অনুমতি জন্য। বাড়ি নির্মাণ অনুমতি পেতে নামজারিসহ যৌথ নির্মাণ অনুমতি, ভাঙ্গা গড়ার অনুমতি পেতে।
ভূমি কর দিতে আব্বা গিয়েছিল। কিন্তু আমাদের Tax. গত বছরেরই সব পরিশোধ করা হয়েছিল। আব্বা সাধারণ মানুষ। ১০ টাকার একটা স্লিজ বের করে ২০০ টাকা নিয়েছে। গতবছর আমার আব্বাকে বলেছিল মোট ১৪ হাজার টাকা লাগবে। আমি সেই কাহ্জ চলতি বছর ফেব্রুয়ারিতে ৫২৬৫ টাকায় করেছি
মন্তব্য ০
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।