DKK3RKB7

PASSPORT RENEW বাধ্য হয়ে ঘুষ দিতে হয়েছে

আমি গত ১৬ অগাস্ট আমার বন্ধুকে নিয়ে ওর পাসপোর্ট রিনিউ এর জন্য যাই। সেইদিন এম আর পি পাসপোর্ট যাচাই করণ সার্ভার এবং এন ই ডি যাচাই করণ সার্ভার কোনটি সচল ছিলোনা, যার কারণে আমাদের অপেক্ষা করতে বলা হয়। আমরা সকাল ৯.৩০ থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত অপেক্ষা করার পরে নিচে থাকা আনছার এর খোজ পাই , এবং তার কাছে যাওয়ার পরে সে আমাদের বলে সব কিচু হবে টাকা লাগবে ২৫০০। পরবর্তীতে আমরা রাজি হওয়াতে ৩০১ নম্বর রুম এর একজন হুজুরের কাছে যেতে বলেন। এমনকি যাওয়ার সাথে সাথে ৩-৫ মনিটর মধ্যে কাজ হয়ে যায়. অথচ আমরা দুপুর পর্যন্ত বসে থেকেও করতে পারিনি .

বিবরণ
টাকার পরিমাণ ৳২,৫০০
যে কাজের জন্য PASSPORT RENEW
দপ্তর পাসপোর্ট অফিস
বিভাগ ঢাকা
থানা / উপজেলা UTTARA
রিপোর্টের তারিখ ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
কতজন দেখেছেন ৮ বার
এই দপ্তরের সব রিপোর্ট
০ মন্তব্য

মন্তব্য ০

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।

মন্তব্য সবাই দেখতে পাবে। নাম না দিলে বেনামী হিসেবেই থাকবে। কারও নাম, ঠিকানা বা ফোন নম্বর লিখবেন না।

একই দপ্তরের আলোচিত রিপোর্ট

পাসপোর্ট অফিস

পাসপোর্ট

আমি একজন স্টুডেন্ট আমি আবেদন করার সময় লেবার সিলেক্ট করি ভুলে এখন নাকি লেবার তার ডকুমেন্টস লাগবে আমার জানা মতে এমন কোন ডকুমেন্টস হয় না এটা তাদের জানালে তারা একটা নাম্বার দেয় এবং তার সাথে যোগাযোগ করতে বলে পরে যোগাযোগ করলে ৩৫০০ টাকা দাবি করে অবশেষে টাকা দিলে পরে আমার পাসপোর্ট এর কগজ এবং ফিঙ্গার নেয়

ঘুষ দিয়েছি
ঝালকাঠি ৳৩.৫ হাজার
১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ২১৩ BRA9CLA5
০ মন্তব্য
পাসপোর্ট অফিস

পাসপোর্ট তৈরির জন্য ফিঙ্গার এবং ছবি উঠানো

ঘটনাটা এই বছরের নয় গত বছরের। আমার IELTS পরীক্ষার জন্য পাসপোর্টের প্রয়োজন ছিল। অনলাইনে আবেদন সাবমিট করে যেদিন ফিঙ্গার ও ছবি উঠানোর জন্য যাই সেদিন সমস্ত কাগজ ঠিক থাকার পরেও আমাকে ফেরত পাঠানো হয়। পরবর্তীতে আমার পরিচিত একজন আত্মীয়ের মাধ্যমে পাসপোর্ট অফিসের সামনে অবস্থিত কম্পিউটারের দোকানের মাধ্যমে উপরে উল্লেখিত নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা প্রদান করি। পরবর্তীতে জানতে পারি ওখানে অবস্থিত সকল টেক দোকানগুলোর কাজ হলো এটা।

ঘুষ দিয়েছি
বগুড়া ৳১.১ হাজার
২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৮১ RJ6GQSK6
০ মন্তব্য