সমাধান
টাকা দিলে সমাধান করে দিবে নাতো জমি পাব না, জোর করে দখল করে নিচ্ছে তাও সমাধান করে দিবে না।
দলিলে নাম ঠিক আছে , আগে যে হাতে লেখা খতিয়ান ছিল সেটাতেও নাম ঠিক আছে কিন্তু কম্পিউটার প্রিন্টেড কপিতে খতিয়ানে নাম ভুল আসছে। এই নাম সংশোধনের জন্য একটা মামলা করতে হবে। ভুমি অফিস , ডিসি অফিস থেকে প্রয়োজনীয় কাগজ পত্র তুলে এনে এলাকা ভিত্তিক যে ভুমি অফিস আছে সেখানে ঐ কাগজ জমা দেওয়া হয় নাম সংশোধনের জন্য মামলা করবো বলে। কিন্তু নায়েব সাহেব ঐ পেপারে সাইন করবে না , ও সাইন করলে ঐ কাগজ বগুড়া এসিল্যান্ড অফিসে যাবে। এখন ঐ নায়েবের সাইন নিতে হলে নায়েব সাহেবকে ১০ হাজার টাকা ঘুষ দিতে হবে।। পরে ৭ হাজার টাকা দিয়ে তার সাইন নেয়া হয়। আমি বগুড়া চেলোপাড়ায় অবস্থিত রাজাপুর ও সাবগ্রাম ভুমি অফিসের কথা বলছি। বিশ্বাস না হলে করার কিছু নাই।
টাকা দিলে সমাধান করে দিবে নাতো জমি পাব না, জোর করে দখল করে নিচ্ছে তাও সমাধান করে দিবে না।
বিডিএস জরিপ এর জন্য ১ লক্ষ টাকা চেয়েছিলেন। ৩০০০০/= টাকা দিয়ে কাজ করানো হয়েছে। এভাবে প্রত্যেকের কাছ থেকে টাকা নিয়ে কাজ করা হচ্ছে।
যৌথ বাড়ি নির্মাণ ও নকশা, প্লান পাশ অনুমতি জন্য। বাড়ি নির্মাণ অনুমতি পেতে নামজারিসহ যৌথ নির্মাণ অনুমতি, ভাঙ্গা গড়ার অনুমতি পেতে।
ভূমি কর দিতে আব্বা গিয়েছিল। কিন্তু আমাদের Tax. গত বছরেরই সব পরিশোধ করা হয়েছিল। আব্বা সাধারণ মানুষ। ১০ টাকার একটা স্লিজ বের করে ২০০ টাকা নিয়েছে। গতবছর আমার আব্বাকে বলেছিল মোট ১৪ হাজার টাকা লাগবে। আমি সেই কাহ্জ চলতি বছর ফেব্রুয়ারিতে ৫২৬৫ টাকায় করেছি
মন্তব্য ০
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।