জিপিএফ ফান্ড থেকে ঋন নেওয়ার সময় বাধ্য হয়ে ঘুষ দিতে হয়েছে

আমি একজন সামরিক বাহিনীর সদস্য। আমার ব্যক্তিগত কাজের জন্য আমার জমানো জিপিএফ ফান্ডের টাকা থেকে ১ লক্ষ ৩০ হাজার টাকা ঋন উত্তোলনের জন্য আমার বাহিনীর যথাযথ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে আবেদন করি এবং আমার বাহিনী ৩/৪ দিনের মধ্যে সকল কাগজপত্র নিরীক্ষা করে এবং ঋন অনুমদোন করে সিনিয়র ফাইন্যান্স কার্যালয় এ পাঠায়। সেখান থেকে আমার চেক পাইতে ২০ কর্মদিবসের বেশী সময় লাগে। যা সর্বোচ্চ ৫/৬ কর্মদিবসের কাজ। সেইখানে আমার কাছে ঋনের চেক সাইন করিয়ে দেওয়ার কথা বলে ১০০০ টাকা চাওয়া হয় এবং আমি তাকে ক্যাশ ৫০০ বিকাশের মাধ্যমে ৩০০ টাকা পরিশোধ করি। সামরিক বাহিনীর একাকায় থেকে এই অফিসের কর্মরত ব্যক্তিগন প্রচুর দূর্ণিতি করে থাকেন। এবং যার স্বীকার সামরিক বাহিনীর কর্মকর্তা থেকে কর্মচারীগন।

বিবরণ
টাকার পরিমাণ ৳১,০০০
যে কাজের জন্য জিপিএফ ফান্ড থেকে ঋন নেওয়ার সময়
দপ্তর হিসাব রক্ষণ অফিস
বিভাগ ঢাকা
থানা / উপজেলা ঢাকা, সিনিয়র ফাইন্যান্স কার্যালয়,
রিপোর্টের তারিখ ৩১ আগস্ট ২০২৬
কতজন দেখেছেন ১ বার
নিশ্চিতকরণ ৫ জন
এই দপ্তরের সব রিপোর্ট

মন্তব্য

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।

মন্তব্য সবাই দেখতে পাবে। নাম না দিলে বেনামী হিসেবেই থাকবে। কারও নাম, ঠিকানা বা ফোন নম্বর লিখবেন না।

একই দপ্তরের আলোচিত রিপোর্ট

হিসাব রক্ষণ অফিস

পেনশন সংক্রান্ত কাজ

আমাকে বলা হয়েছিল, অডিট ফেস করার জন্য ভবিষ্যতে লাগবে।

ঘুষ দিয়েছি
উপজেলা. নান্দাইল, জেলা- ময়মনসিংহ ৳১০.০ হাজার
৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১,১৯৭
হিসাব রক্ষণ অফিস

ভ্রমণ ভাতার বিল করতে

আমার ভ্রমণ ভাতার বিল করতে গিয়ে এই অর্থ দাবি করা হয়। তখন জানতে পারি হিসাবরক্ষণ অফিসে যেকোন বিল করতে বিলের ৫ শতাংশ অর্থ দিতে হয়।

ঘুষ দিয়েছি
হাটহাজারী, চট্টগ্রাম ৳৬০০
২৭ আগস্ট ২০২৬ ৪৪৮
হিসাব রক্ষণ অফিস

টিএডিএ

ময়মনসিংহ হিসাব সংরক্ষণ অফিসে ৫% ঘুষ ছাড়া টিএডিএ বিল পাশ করে না। আমাদের সরকারি কর্মকর্তাদের অনেক বিল ৫% টাকা ছাড়া বিল পাশ করে না।

ঘুষ দিয়েছি
ময়মনসিংহ ৳৫.০ হাজার
২৫ আগস্ট ২০২৬ ৩৮৯
হিসাব রক্ষণ অফিস

বদলীজনিত কারনে LPC নেয়ার জন্য হয়েছে।

বদলীর জন্য LPC দরকার হয়। সেজন্য সময়ক্ষেপণ করা হয়। কারন জানতে চাইলে ২০০০ টাকা চাওয়া হয়। আমার জরুরি প্রয়োজন বিধায় টাকা দিতে বাধ্য হই।

ঘুষ দিয়েছি
শেরপুর ৳২.০ হাজার
২৪ আগস্ট ২০২৬ ৩৩২