খাজনা পরিশোধ করার জন্য অনুমোদন নিতে বাধাগ্রস্ত হওয়া বাধ্য হয়ে ঘুষ দিতে হয়েছে

জমির খাজনা পরিশোধ করার জন্য ইউনিয়ন ভূমি অফিসে গেলে খতিয়ান দেখে বলে অনলাইনে আবেদন করেছেন? অনলাইনে আবেদন করেন, পাশের কম্পিউটার দোকান থেকে। আমি তৎক্ষণাৎ মুঠো°ফোন দিয়ে অনলাইনে আবেদন করি, তারা বাতিল করে দেয়। বাতিলের কারণ জানতে চাইলে বলে, খতিয়ানে যাদের নাম আছে সকালের এনআইডি কার্ডের ফটোকপি লাগবে। যেদিন মৃত হয় তাহলে তাদের ওয়ারিশান সনদ লাগবে এবং সকল ওয়ারিশদের পেন আইডি কার্ডের ফটোকপি লাগবে। প্রতিউত্তরে আমি তাদের বলেছি অনলাইনে আবেদন করার সময় খতিয়ানের আলোকচিত্র এবং খতিয়ানের যেকোনো এক অংশের মালিক চাইলে খাজনা পরিশোধ করতে পারবে পুরো খতিয়ানের।২৬ শতক জমির খাজনা দেওয়ার জন্য অনুমোদন নিতে ১০০০০ টাকা চেয়েছিল, টাকা না দিলে কাজ হবে না বলে দিয়েছে। আমি এ কাজের জন্য দুই বছর ঘুরেছি, প্রয়োজনীয়তায় হেরে

বিবরণ
টাকার পরিমাণ ৳১০,০০০
যে কাজের জন্য খাজনা পরিশোধ করার জন্য অনুমোদন নিতে বাধাগ্রস্ত হওয়া
দপ্তর ভূমি অফিস
বিভাগ রাজশাহী
থানা / উপজেলা ফতেপুর
রিপোর্টের তারিখ ৩১ আগস্ট ২০২৬
কতজন দেখেছেন ১ বার
এই দপ্তরের সব রিপোর্ট
মন্তব্য

মন্তব্য

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।

মন্তব্য সবাই দেখতে পাবে। নাম না দিলে বেনামী হিসেবেই থাকবে। কারও নাম, ঠিকানা বা ফোন নম্বর লিখবেন না।

একই দপ্তরের আলোচিত রিপোর্ট

ভূমি অফিস

বি ডি এস জরিপ

বিডিএস জরিপ এর জন্য ১ লক্ষ টাকা চেয়েছিলেন। ৩০০০০/= টাকা দিয়ে কাজ করানো হয়েছে। এভাবে প্রত্যেকের কাছ থেকে টাকা নিয়ে কাজ করা হচ্ছে।

শুধু দাবি করেছে
ঢাকা ৳১.০০ লাখ
৩১ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
ভূমি অফিস

বাড়ি নির্মাণ অনুমতি পেতে নামজারিসহ যৌথ নির্মাণ অনুমতি, ভাঙ্গা গড়ার অনুমতি পেতে।

যৌথ বাড়ি নির্মাণ ও নকশা, প্লান পাশ অনুমতি জন্য। বাড়ি নির্মাণ অনুমতি পেতে নামজারিসহ যৌথ নির্মাণ অনুমতি, ভাঙ্গা গড়ার অনুমতি পেতে।

ঘুষ দিইনি
মিরপুর ৳৫.০০ লাখ
২৪ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
ভূমি অফিস

কর প্রদান

ভূমি কর দিতে আব্বা গিয়েছিল। কিন্তু আমাদের Tax. গত বছরেরই সব পরিশোধ করা হয়েছিল। আব্বা সাধারণ মানুষ। ১০ টাকার একটা স্লিজ বের করে ২০০ টাকা নিয়েছে। গতবছর আমার আব্বাকে বলেছিল মোট ১৪ হাজার টাকা লাগবে। আমি সেই কাহ্জ চলতি বছর ফেব্রুয়ারিতে ৫২৬৫ টাকায় করেছি

ঘুষ দিইনি
বেলকুচি,সিরাজগঞ্জ ৳২০০
২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মন্তব্য