টেস্ট করাতে এবং টেস্টের রিপোর্ট নিতে বাধ্য হয়ে ঘুষ দিতে হয়েছে

বাবার ফুসফুসে ক্যান্সার ধরা পড়লে ঢামেক নিয়ে যাই। সেখানে টেস্ট করাতে ও রিপোর্ট আনতে গিয়ে ঘুষ বাণিজ্যের শিকার হই। যদিও ডাক্তার রেকমেন্ড করে দিয়েছিল টেস্টের রিপোর্ট আর্জেন্ট দেয়া লাগবে। তবু টেস্ট করানোর পর নির্দিষ্ট সময়ে রিপোর্ট আনতে গেলে সকালে আসেন বিকালে আসেন রিপোর্ট এখনো আসেনি ইত্যাদি বলে ঘুরাতে থাকে। বাধ্য হয়ে টাকা দিয়ে বললাম এটা দিয়ে নাস্তা করবেন এইবার রিপোর্টটা দিন প্লিজ। এর সাথে সাথেই রিপোর্ট বের করতে করতে সে বললো আপনি স্পেশাল তাই স্পেশাল জায়গায় রিপোর্ট রেখে দিয়েছি। ঢামেকের জায়গায় জায়গায় চরম ঘুষ লেনদেন আর দূর্নীতি হয়। সেখানে শুদ্ধি অভিযান চালানো উচিৎ।

বিবরণ
টাকার পরিমাণ ৳১,০০০
যে কাজের জন্য টেস্ট করাতে এবং টেস্টের রিপোর্ট নিতে
দপ্তর সরকারি হাসপাতাল
বিভাগ ঢাকা
থানা / উপজেলা ঢাকা
রিপোর্টের তারিখ ২৬ আগস্ট ২০২৬
কতজন দেখেছেন ১ বার
এই দপ্তরের সব রিপোর্ট
মন্তব্য

মন্তব্য

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।

মন্তব্য সবাই দেখতে পাবে। নাম না দিলে বেনামী হিসেবেই থাকবে। কারও নাম, ঠিকানা বা ফোন নম্বর লিখবেন না।

একই দপ্তরের আলোচিত রিপোর্ট

সরকারি হাসপাতাল

রোগি ভর্তিকরণ

রোগী ভর্তি করাতে যেয়ে উনারা বলতেছিলো সিট খালি নেই। পরে একজন আয়াকে ৫০০ টাকা দিতেই উনি ভিতরে গিয়ে নিজে কেমনে কী করে আসলো। সিট পেয়ে গেলাম

ঘুষ দিয়েছি
সিলেট ৳৫০০
২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মন্তব্য
সরকারি হাসপাতাল

ছাড়পত্র

কিডনি বিভাগে ভর্তি হয়েছি। তারপর ছাড়পত্র আনার সময় ওয়ার্ল্ড বয় চা নাস্তা বাবদ কিছু টাকা দাবি করে।। তারপর তা পরিশোধ করি।

ঘুষ দিয়েছি
খুলনা মেডিকেলে ৳১০০
২৪ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য