আমি একজন স্বাস্থ্য সহকারী হিসেবে সরকারকে ২৪ বছর সেবা দিয়ে এসেছি। আমি চাকরি ছেড়ে দেওয়ার পর আমার পেনশন এর কাগজ পত্র ক্লিয়ারেন্স নিতে যাওয়ার সময়, ফটিকছড়ি উপজেলা অডিট অফিসার আমার কাছে ৩০,০০০ টাকা ঘুষ দাবি করেন। তার নাম উপজেলা হিসাব রক্ষণ কর্মকর্তা, ফটিকছড়ি, চট্টগ্রাম। পরবর্তীতে তাকে ঘুষ দেওয়ার পর সে পেনশন এর কাগজপত্র ক্লিয়ার করে।
আমাকে বলা হয়েছিল, অডিট ফেস করার জন্য ভবিষ্যতে লাগবে।
আমার ভ্রমণ ভাতার বিল করতে গিয়ে এই অর্থ দাবি করা হয়। তখন জানতে পারি হিসাবরক্ষণ অফিসে যেকোন বিল করতে বিলের ৫ শতাংশ অর্থ দিতে হয়।
ময়মনসিংহ হিসাব সংরক্ষণ অফিসে ৫% ঘুষ ছাড়া টিএডিএ বিল পাশ করে না। আমাদের সরকারি কর্মকর্তাদের অনেক বিল ৫% টাকা ছাড়া বিল পাশ করে না।
বদলীর জন্য LPC দরকার হয়। সেজন্য সময়ক্ষেপণ করা হয়। কারন জানতে চাইলে ২০০০ টাকা চাওয়া হয়। আমার জরুরি প্রয়োজন বিধায় টাকা দিতে বাধ্য হই।
মন্তব্য ০
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।