বিল ভাউচার পাশ, পেনশনসহ সকল কাজের জন্য ঘুষ বাধ্য হয়ে ঘুষ দিতে হয়েছে

প্রথমে বলি। যেকোন বিল, পেশশন হলে তো কাথায় নাই। এখানের সকল অডিটর, সুপার, হিসাব রক্ষণ অফিসার সকলেই দূর্নীতিবাজ। কন্টিজেন্সি বিলের উপর ৫% দাবি থাকে। সেটা ৪% তো দেয়ায় লাগে নাহলে বিল পাশ হয়না। প্রেনশনারদের নানান ধরনের হয়রানি করা হয়। টাকা ছাড়া পেনশন পাশ হয়না। সেটা কয়েক হাজার টাকা দেয়া লাগে। —, এসএএস সুপারিনটেনডেন্ট, —, এসএএস সুপারিনটেনডেন্ট মেহেরপুর হিসাব রক্ষণ অফিস। এরা দীর্ঘদিন এখানে চাকরি করে যাচ্ছে। কোন বদলি নাই। — ১১ টার আগে তো অফিসে ই আসেনা। এলপিসি তে ও টাকা। মোট কথা টাকা ছাড়া কোন কাজ হয়না। এই একমাত্র অফিস যারা সরকারি চাকরিজিবীদের থেকে ঘুষ খায়। সারা দেশে একই অবস্থা। সবাই তাদের কাছে জিম্বি। এর সুরহা হওয়া প্রয়োজন

বিবরণ
টাকার পরিমাণ ৳৪,০০০
যে কাজের জন্য বিল ভাউচার পাশ, পেনশনসহ সকল কাজের জন্য ঘুষ
দপ্তর হিসাব রক্ষণ অফিস
বিভাগ খুলনা
থানা / উপজেলা মেহেরপুর
রিপোর্টের তারিখ ২৫ আগস্ট ২০২৬
কতজন দেখেছেন ১ বার
নিশ্চিতকরণ ০ জন
এই দপ্তরের সব রিপোর্ট

মন্তব্য

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।

মন্তব্য সবাই দেখতে পাবে। নাম না দিলে বেনামী হিসেবেই থাকবে। কারও নাম, ঠিকানা বা ফোন নম্বর লিখবেন না।

একই দপ্তরের আলোচিত রিপোর্ট

হিসাব রক্ষণ অফিস

পেনশন সংক্রান্ত কাজ

আমাকে বলা হয়েছিল, অডিট ফেস করার জন্য ভবিষ্যতে লাগবে।

ঘুষ দিয়েছি
উপজেলা. নান্দাইল, জেলা- ময়মনসিংহ ৳১০.০ হাজার
৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১,১৯৭
হিসাব রক্ষণ অফিস

ভ্রমণ ভাতার বিল করতে

আমার ভ্রমণ ভাতার বিল করতে গিয়ে এই অর্থ দাবি করা হয়। তখন জানতে পারি হিসাবরক্ষণ অফিসে যেকোন বিল করতে বিলের ৫ শতাংশ অর্থ দিতে হয়।

ঘুষ দিয়েছি
হাটহাজারী, চট্টগ্রাম ৳৬০০
২৭ আগস্ট ২০২৬ ৪৪৮
হিসাব রক্ষণ অফিস

টিএডিএ

ময়মনসিংহ হিসাব সংরক্ষণ অফিসে ৫% ঘুষ ছাড়া টিএডিএ বিল পাশ করে না। আমাদের সরকারি কর্মকর্তাদের অনেক বিল ৫% টাকা ছাড়া বিল পাশ করে না।

ঘুষ দিয়েছি
ময়মনসিংহ ৳৫.০ হাজার
২৫ আগস্ট ২০২৬ ৩৮৯
হিসাব রক্ষণ অফিস

বদলীজনিত কারনে LPC নেয়ার জন্য হয়েছে।

বদলীর জন্য LPC দরকার হয়। সেজন্য সময়ক্ষেপণ করা হয়। কারন জানতে চাইলে ২০০০ টাকা চাওয়া হয়। আমার জরুরি প্রয়োজন বিধায় টাকা দিতে বাধ্য হই।

ঘুষ দিয়েছি
শেরপুর ৳২.০ হাজার
২৪ আগস্ট ২০২৬ ৩৩২