আমি ২০২৩ সালে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক হিসাবে যোগদান করি। আমার বেতনের নায্য টাকা যা হিসাবরক্ষণ অফিস আমার ব্যাংক হিসাবে জমা করবে সেটা ১০০০ টাকা ঘুষ না দিলে জমা করবে না বলে জানিয়ে দেয় তিনি জামালপুর সদরে হিসাবরক্ষণ অফিসে কর্মরত। আমি নিরুপায় হয়ে অনেক আবেদন করেও তাকে রাজি করতে পারিনি। ৩ মাস থেকে বেতন বকেয়া ছিলো বিধায় অনন্যোপায় হয়ে ৫০০ টাকা দিয়ে বেতন হিসাবে জমা করাই
আমাকে বলা হয়েছিল, অডিট ফেস করার জন্য ভবিষ্যতে লাগবে।
আমার ভ্রমণ ভাতার বিল করতে গিয়ে এই অর্থ দাবি করা হয়। তখন জানতে পারি হিসাবরক্ষণ অফিসে যেকোন বিল করতে বিলের ৫ শতাংশ অর্থ দিতে হয়।
ময়মনসিংহ হিসাব সংরক্ষণ অফিসে ৫% ঘুষ ছাড়া টিএডিএ বিল পাশ করে না। আমাদের সরকারি কর্মকর্তাদের অনেক বিল ৫% টাকা ছাড়া বিল পাশ করে না।
বদলীর জন্য LPC দরকার হয়। সেজন্য সময়ক্ষেপণ করা হয়। কারন জানতে চাইলে ২০০০ টাকা চাওয়া হয়। আমার জরুরি প্রয়োজন বিধায় টাকা দিতে বাধ্য হই।
মন্তব্য ০
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।