কুমিল্লার পাসপোর্ট অফিসে আমি নিজে করতে চেয়েছিলাম,সত্যায়িত করা সহ আমাকে ৪ বার ফেরত পাঠানো হয়েছিলো।শেষে পাসপোর্ট অফিসের বাহিরে ফটোকপির দোকানদারদেরকে ২ হাজার টাকা দেওয়ার পর তারা একটি ছোট স্টিকার লাগিয়ে দিয়েছে,আর কাগজ গুলা সিরিয়াল করে দিয়েছিলো।এগুলা পরে সিরিয়ালে জমা দেওয়াতে ইজিলি প্রাথমিক ভ্যারিফিকেশন হয়ে গেলো,আর স্টিকারটাও ওরা রেখে দিলো। তাছাড়া সিরিয়াল অনেক বড়ো থাকতো,যারা আনসারকে ৫০০ টাকা দিতো,তাদেরকে আগেই ঢুকার সুযোগ করে দিতো।পুরা পাসপোর্ট অফিস করাপ্টেড,বাহিরে যে চেক করে ঢুকায় সে,আনসার বাহিনী থেকে শুরু করে সবাই।ভিতরের লোকজন জানি না পার্মেন্টেজ পায় কি না,তবে আনসার সদস্য আর বাহিরের চেক কারী সম্পূর্ণ জড়িত। আমার নিজে নিজে পাসপোর্ট করা আর হলো না,এখনও মনে হয় আমি হেড়ে গেছি,হেড়ে গেছি দূর্নীতির কাছে।
Comments 0
No comments yet. Be the first.