পাসপোর্ট বাধ্য হয়ে ঘুষ দিতে হয়েছে

আমি প্রথমে পাসপোর্ট অনলাইনে আবেদন করি। তারপর পাসপোর্ট অফিস এ যাই। আমার বাবা কে নিয়ে কাগজ পাতি জমা দেই। ওর নেই না। ওরা বলে চ্যায়ার ম্যন সাটিফিকেট লাগবে। পড়ে আমি সাটিফিকেট নিয়ে যাই।তারপরও কাজ হয় নাই। পাসপোর্ট অফিস এক দালাল বলে এই গুলা কিছুই লাগবে না। তুমি ১৫০০ টাকা দিবে তোমার পাসপোর্ট হয়ে যাবে। আমি বলেছি ১২০০ টাকা দিব তাও কাজটা করেদেন আমি বাহিরে পড়াশোনা করতে যাব। ওনি বলে হবে না আমি বারিতে চলে আসি। পড়ে পাসপোর্ট অফিস এক চাকরি জিবী সাথে আমার পরিচয় হয়। ওনি বলে আমি ১২০০ টাকা করি দেব। তুমি আমামকে বলে রবিবার সকালে আসিও। আমি তারকথা মত রবিবার এ ১২ টা সময় যাই। ওনি আমার থেকে ১৩০০ টাকা নেই। পড়ে কাজ হয়ে যায়। এই হলো শোনার বাংলা দেশ।

বিবরণ
টাকার পরিমাণ ৳১,৩০০
যে কাজের জন্য পাসপোর্ট
দপ্তর পাসপোর্ট অফিস
বিভাগ ময়মনসিংহ
থানা / উপজেলা শেরপুর
রিপোর্টের তারিখ ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
কতজন দেখেছেন ২ বার
এই দপ্তরের সব রিপোর্ট
মন্তব্য

মন্তব্য

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।

মন্তব্য সবাই দেখতে পাবে। নাম না দিলে বেনামী হিসেবেই থাকবে। কারও নাম, ঠিকানা বা ফোন নম্বর লিখবেন না।

একই দপ্তরের আলোচিত রিপোর্ট

পাসপোর্ট অফিস

পাসপোর্ট

আমি একজন স্টুডেন্ট আমি আবেদন করার সময় লেবার সিলেক্ট করি ভুলে এখন নাকি লেবার তার ডকুমেন্টস লাগবে আমার জানা মতে এমন কোন ডকুমেন্টস হয় না এটা তাদের জানালে তারা একটা নাম্বার দেয় এবং তার সাথে যোগাযোগ করতে বলে পরে যোগাযোগ করলে ৩৫০০ টাকা দাবি করে অবশেষে টাকা দিলে পরে আমার পাসপোর্ট এর কগজ এবং ফিঙ্গার নেয়

ঘুষ দিয়েছি
ঝালকাঠি ৳৩.৫ হাজার
১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৪৫
মন্তব্য
পাসপোর্ট অফিস

পাসপোর্ট তৈরির জন্য ফিঙ্গার এবং ছবি উঠানো

ঘটনাটা এই বছরের নয় গত বছরের। আমার IELTS পরীক্ষার জন্য পাসপোর্টের প্রয়োজন ছিল। অনলাইনে আবেদন সাবমিট করে যেদিন ফিঙ্গার ও ছবি উঠানোর জন্য যাই সেদিন সমস্ত কাগজ ঠিক থাকার পরেও আমাকে ফেরত পাঠানো হয়। পরবর্তীতে আমার পরিচিত একজন আত্মীয়ের মাধ্যমে পাসপোর্ট অফিসের সামনে অবস্থিত কম্পিউটারের দোকানের মাধ্যমে উপরে উল্লেখিত নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা প্রদান করি। পরবর্তীতে জানতে পারি ওখানে অবস্থিত সকল টেক দোকানগুলোর কাজ হলো এটা।

ঘুষ দিয়েছি
বগুড়া ৳১.১ হাজার
২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মন্তব্য