পুলিশ ভেরিফিকেশন বাধ্য হয়ে ঘুষ দিতে হয়েছে

প্রথম পাসপোর্ট করানোর সময় পুলিশ ভেরিফিকেশনের জন্য বাসার কাছে এসে ফোন দেওয়া হয় আমাকে। সব কাগজ ঠিকমতো দেখানোর পর, আমার বাবার চেয়েও বেশি বয়সী সেই ব্যক্তি আমাকে বলে, "বাবা, নাস্তাপাতির খরচটা..."। আগে থেকে এই নাস্তার ব্যাপারটা জানার কারণে ৫০০ টাকা দিয়ে দেই তাকে। আমার গ্রামের বাড়িতে আর একজন গিয়ে আমার চাচার সাথে কথা বলে, কিন্তু আমার চাচা "নাস্তাপাতি" এর ব্যাপারে না জানার কারণে কোনো টাকা পয়সা দেন নাই তাকে। এর কারণে পুলিশ ভেরিফিকেশনে আমার পাসপোর্ট ১-২ মাসের মত আটকিয়ে ছিল, এরপর আমার চাচাকে তার অফিসে গিয়ে "নাস্তাপাতি" খরচ বাবদ আরও ৫০০ টাকা দেওয়ার পর আমার পাসপোর্ট পুলিশ ভেরিফিকেশন পার হয়।

বিবরণ
টাকার পরিমাণ ৳১,০০০
যে কাজের জন্য পুলিশ ভেরিফিকেশন
দপ্তর পাসপোর্ট অফিস
বিভাগ ঢাকা
থানা / উপজেলা লালবাগ
রিপোর্টের তারিখ ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
কতজন দেখেছেন ১ বার
এই দপ্তরের সব রিপোর্ট
মন্তব্য

মন্তব্য

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।

মন্তব্য সবাই দেখতে পাবে। নাম না দিলে বেনামী হিসেবেই থাকবে। কারও নাম, ঠিকানা বা ফোন নম্বর লিখবেন না।

একই দপ্তরের আলোচিত রিপোর্ট

পাসপোর্ট অফিস

পাসপোর্ট

আমি একজন স্টুডেন্ট আমি আবেদন করার সময় লেবার সিলেক্ট করি ভুলে এখন নাকি লেবার তার ডকুমেন্টস লাগবে আমার জানা মতে এমন কোন ডকুমেন্টস হয় না এটা তাদের জানালে তারা একটা নাম্বার দেয় এবং তার সাথে যোগাযোগ করতে বলে পরে যোগাযোগ করলে ৩৫০০ টাকা দাবি করে অবশেষে টাকা দিলে পরে আমার পাসপোর্ট এর কগজ এবং ফিঙ্গার নেয়

ঘুষ দিয়েছি
ঝালকাঠি ৳৩.৫ হাজার
১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৪৫
মন্তব্য
পাসপোর্ট অফিস

পাসপোর্ট তৈরির জন্য ফিঙ্গার এবং ছবি উঠানো

ঘটনাটা এই বছরের নয় গত বছরের। আমার IELTS পরীক্ষার জন্য পাসপোর্টের প্রয়োজন ছিল। অনলাইনে আবেদন সাবমিট করে যেদিন ফিঙ্গার ও ছবি উঠানোর জন্য যাই সেদিন সমস্ত কাগজ ঠিক থাকার পরেও আমাকে ফেরত পাঠানো হয়। পরবর্তীতে আমার পরিচিত একজন আত্মীয়ের মাধ্যমে পাসপোর্ট অফিসের সামনে অবস্থিত কম্পিউটারের দোকানের মাধ্যমে উপরে উল্লেখিত নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা প্রদান করি। পরবর্তীতে জানতে পারি ওখানে অবস্থিত সকল টেক দোকানগুলোর কাজ হলো এটা।

ঘুষ দিয়েছি
বগুড়া ৳১.১ হাজার
২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মন্তব্য