কর না দেওয়ার অভিযোগে ঘুষ দাবি ও অবৈধ অর্থ আদায়ের চেষ্টা ঘুষ দাবি করা হয়েছে

আমি একজন বেকার, আমার ট্রাক্স দেওয়ার মত ইনকাম নেই। আমি ২০২৪-২৫ অর্থ বছরে জিরো ট্যাক্স ফাইল করেছিলাম তাহার সকল প্রমান দাখিল করা হয়েছিল।এরপরেও তারা আমাকে নোটিশ করে টাকা চাই বলে যে সরকারি খাতে জমা দিলে ১০৮০০ টাকা দিতে হবে আর যদি তাদের ৮০০০ টাকা দিই তাহলে তারা সব কিছু ঠিক করে দিবে। আমার কাছে ভিডিও ফুটেজ আছে। আমার মত আরও অনেকের কাছ থেকে নোটিশ করে টাকা চাওয়া হচ্ছে, আমি অফিসে উপস্থিত থাকাকালীন অনেক অনেককে দেখেছি চা নাস্তা খাওয়ার কথা বলে, অফিস খরচের কথা বলে টাকা দাবি করা হচ্ছে।

জড়িত বলে উল্লেখ করা হয়েছে: মোহাম্মদ হামিদুর রহমান / অফিস সহায়ক / কর অঞ্চল ৩

রিপোর্টকারীর দাবি — Ghush.xyz এটি স্বাধীনভাবে যাচাই করেনি।

বিবরণ
টাকার পরিমাণ ৳৮,০০০
যে কাজের জন্য অনৈতিক পন্থায় টাকা দাবি
অফিস কর অঞ্চল ৩
দপ্তর কাস্টমস অফিস
বিভাগ ঢাকা
থানা / উপজেলা পল্টন
রিপোর্টের তারিখ ২৭ আগস্ট ২০২৬
কতজন দেখেছেন ১ বার
এই দপ্তরের সব রিপোর্ট
মন্তব্য প্রমাণ আছে

মন্তব্য

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।

মন্তব্য সবাই দেখতে পাবে। নাম না দিলে বেনামী হিসেবেই থাকবে। কারও নাম, ঠিকানা বা ফোন নম্বর লিখবেন না।

একই দপ্তরের আলোচিত রিপোর্ট

কাস্টমস অফিস

Examine

জেটি কাস্টমস চট্টগ্রাম এর জয়েন কমিশনার — এর ছত্রছায়ায় অসাধু কর্মকর্তাদের একটি চক্র পণ্য পরীক্ষণে বিপুল পরিমাণ অর্থ আদায় করছে। নাহলে অযথা বিলম্ব করে নানাভাবে হয়রানি করে। এজন্য পণ্য খালাসে বিলম্ব হচ্ছে। অহেতুক মামলার সম্মুখীন হতে হচ্ছে।

ঘুষ দিইনি
চট্টগ্রাম ৳৫.০০ লাখ
২৫ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
কাস্টমস অফিস

Asssesment

চট্টগ্রাম কাস্টম এর শুল্কায়ন গ্রুপ ৪ এর সহকারী কমিশনার — একটি পণ্য চালান ছাড়ের ১৫০০০০ লক্ষ টাকা দাবি করেন। পরবর্তীতে পণ্য ডেমারেজ এর কথা চিন্তা করে ১২০০০০ টাকা দিয়ে সমাধান করা হয়। এই গ্রুপে অযথা পণ্য শুল্কায়ন ফাইলে হয়রানি হতে হয়।

ঘুষ দিয়েছি
চট্টগ্রাম ৳১.৫০ লাখ
২৫ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য
কাস্টমস অফিস

ক্যাপিটাল মেশিনারি আমদানী

আমাদের কোম্পানীর একটি আমদানীকৃত মেশিনারি আমদানী পযায়ে এইচএস কোড ভূল ভাবে মূল্যায়ন করে আমদানী টেক্স বাবাদ প্রায় ১৫০,০০,০০০/- দাবী করা হয়। যা শতভাগ অন্যায় ছিল। কিন্তু আমাদের কোম্পানী নিরুপায় হয়ে ১৬,০০,০০০/- ঘুষ প্রদান করে উক্ত চালানটি ছাড় করাতে বাধ্য হয়। তা না হলে আমাদের কোম্পানীর আর ও বড় ক্ষতি হত। হ্যাঁ আমরা স্বীকার করছি কাজটি অন্যায় কিন্তু এ ছাড়া আমাদের আর কোন উপায় ছিল না। আমরা যদি কাস্টমস এর সঙে এই ব্যাপারে উচ্চতর আপিল করে উক্ত চালানটি ছাড় করাতে যেতাম তা হলে অনেক সময় লাগত। ততদিনে বন্দর এর ডেমারেজ এবং শিপিং লাইনের ডেমারেজ সহ উক্ত মেশিনারি দ্বারা যেই পণ্য উৎপাদন করা হবে তাও হত না। এসব কথা বিবেচনা করে আমাদের কোম্পনী ঘুষ প্রদানে বাধ্য হয়।

ঘুষ দিয়েছি
চট্রগ্রাম ৳১৬.০০ লাখ
২৫ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য