২০১৯ সালের ডিসেম্বরে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, ধামইরহাট, নওগাঁয় আমরা ১৫ জনের মতো ক্যাডার অফিসার জয়েন করি। পে ফিক্সেশন নিজেরাই করি। কিন্তু প্রথম বেতন প্রাপ্তির আগে একাউন্ট অফিসে সবার কাছে থেকে ১০০০টাকা করে নিয়েছে। সেটা ছিল চাকরিজীবনের প্রথম ঘুষ প্রদান।
আমাকে বলা হয়েছিল, অডিট ফেস করার জন্য ভবিষ্যতে লাগবে।
আমার ভ্রমণ ভাতার বিল করতে গিয়ে এই অর্থ দাবি করা হয়। তখন জানতে পারি হিসাবরক্ষণ অফিসে যেকোন বিল করতে বিলের ৫ শতাংশ অর্থ দিতে হয়।
ময়মনসিংহ হিসাব সংরক্ষণ অফিসে ৫% ঘুষ ছাড়া টিএডিএ বিল পাশ করে না। আমাদের সরকারি কর্মকর্তাদের অনেক বিল ৫% টাকা ছাড়া বিল পাশ করে না।
বদলীর জন্য LPC দরকার হয়। সেজন্য সময়ক্ষেপণ করা হয়। কারন জানতে চাইলে ২০০০ টাকা চাওয়া হয়। আমার জরুরি প্রয়োজন বিধায় টাকা দিতে বাধ্য হই।
মন্তব্য ০
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।