পাসপোর্ট এর আবেদন বাধ্য হয়ে ঘুষ দিতে হয়েছে

আমি পাসপোর্টের জন্য পাসপোর্ট অফিসে আবেদন করতে যাই। সেখানে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আমার ফাইলটি দেখে বলেন, **“আপনার NID কার্ডে সমস্যা আছে।”**আমি জানতে চাই, কী ধরনের সমস্যা হয়েছে। কিন্তু তিনি সমস্যাটি পরিষ্কারভাবে ব্যাখ্যা না করে আমাকে বলেন, **“এক সপ্তাহ পরে আসবেন।”**এরপর আমি কোনো কাগজপত্র জমা না দিয়েই সেখান থেকে বাইরে চলে আসি।বাইরে আসার পর একজন দালাল/মধ্যস্থতাকারী আমাকে বলে, **“২,০০০ টাকা দিয়ে একটি স্লিপ নেন, তাহলে এখনই আপনার কাজ হয়ে যাবে।”**আমার যেহেতু জরুরি ভিত্তিতে পাসপোর্ট প্রয়োজন ছিল, তাই বাধ্য হয়ে আমি তাকে ২,০০০ টাকা দিই। এরপর একটি স্লিপ নিয়ে আবার অফিসে গিয়ে আমার প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিই। তখন সেই দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা নেয়া

বিবরণ
টাকার পরিমাণ ৳২,০০০
যে কাজের জন্য পাসপোর্ট এর আবেদন
দপ্তর পাসপোর্ট অফিস
বিভাগ ময়মনসিংহ
থানা / উপজেলা জামালপুর
রিপোর্টের তারিখ ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
কতজন দেখেছেন ২ বার
এই দপ্তরের সব রিপোর্ট
মন্তব্য

মন্তব্য

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।

মন্তব্য সবাই দেখতে পাবে। নাম না দিলে বেনামী হিসেবেই থাকবে। কারও নাম, ঠিকানা বা ফোন নম্বর লিখবেন না।

একই দপ্তরের আলোচিত রিপোর্ট

পাসপোর্ট অফিস

পাসপোর্ট

আমি একজন স্টুডেন্ট আমি আবেদন করার সময় লেবার সিলেক্ট করি ভুলে এখন নাকি লেবার তার ডকুমেন্টস লাগবে আমার জানা মতে এমন কোন ডকুমেন্টস হয় না এটা তাদের জানালে তারা একটা নাম্বার দেয় এবং তার সাথে যোগাযোগ করতে বলে পরে যোগাযোগ করলে ৩৫০০ টাকা দাবি করে অবশেষে টাকা দিলে পরে আমার পাসপোর্ট এর কগজ এবং ফিঙ্গার নেয়

ঘুষ দিয়েছি
ঝালকাঠি ৳৩.৫ হাজার
১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৪৫
মন্তব্য
পাসপোর্ট অফিস

পাসপোর্ট তৈরির জন্য ফিঙ্গার এবং ছবি উঠানো

ঘটনাটা এই বছরের নয় গত বছরের। আমার IELTS পরীক্ষার জন্য পাসপোর্টের প্রয়োজন ছিল। অনলাইনে আবেদন সাবমিট করে যেদিন ফিঙ্গার ও ছবি উঠানোর জন্য যাই সেদিন সমস্ত কাগজ ঠিক থাকার পরেও আমাকে ফেরত পাঠানো হয়। পরবর্তীতে আমার পরিচিত একজন আত্মীয়ের মাধ্যমে পাসপোর্ট অফিসের সামনে অবস্থিত কম্পিউটারের দোকানের মাধ্যমে উপরে উল্লেখিত নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা প্রদান করি। পরবর্তীতে জানতে পারি ওখানে অবস্থিত সকল টেক দোকানগুলোর কাজ হলো এটা।

ঘুষ দিয়েছি
বগুড়া ৳১.১ হাজার
২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মন্তব্য