পা ভেঙে চিকিৎসা সেবা নিতে যাওয়া বাধ্য হয়ে ঘুষ দিতে হয়েছে

ভাইয়ের পা ভাঙ্গায় নিটোরে অপারেশনের আগে কোম্পানির এজেন্ট সার্জিক্যাল ইকুয়েপমেন্ট বাবদ ৩০,০০০/- টাকা দাবি করে, অথচ দায়িত্বরত চিকিৎসক কোনো প্রেসক্রিপশনে লিখেননি কী কী লাগবে। কেন কী বাবদ টাকা লাগবে এই প্রসেস বুঝার চেষ্টা করায় এবং চাহিদামতো সম্পূর্ণ পরিশোধ না করায় নেক্সট দিন অপারেশন করেনি। এক সপ্তাহ পর বাধ্য হয়ে কোম্পানির এজেন্টের কথামতো সম্পূর্ণ অর্থ দিলে তারপর অপারেশন হয়। এছাড়া অপারেশন চলাকালে ও শুরুতে হাসপাতালে নিয়ে গেলে অজস্র বার ছোট টোকেন দিয়ে এটা ওটা আনানো হয় যার দাম অনেক। যেসব জিনিস বাইরের ফার্মেসী থেকে রোগীদের মাধ্যমে আনানো হয় তার অনেক কিছু নিষ্প্রয়োজন বলে কানাঘুষা আছে এবং পরে বিক্রি করা হয়। যেমন শুরুতে প্লাস্টার করার কথা বলে ২০০০ টাকা নেয়।

বিবরণ
টাকার পরিমাণ ৳৩০,০০০
যে কাজের জন্য পা ভেঙে চিকিৎসা সেবা নিতে যাওয়া
দপ্তর সরকারি হাসপাতাল
বিভাগ ঢাকা
থানা / উপজেলা ঢাকা
রিপোর্টের তারিখ ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
কতজন দেখেছেন ১ বার
এই দপ্তরের সব রিপোর্ট
মন্তব্য

মন্তব্য

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।

মন্তব্য সবাই দেখতে পাবে। নাম না দিলে বেনামী হিসেবেই থাকবে। কারও নাম, ঠিকানা বা ফোন নম্বর লিখবেন না।

একই দপ্তরের আলোচিত রিপোর্ট

সরকারি হাসপাতাল

রোগি ভর্তিকরণ

রোগী ভর্তি করাতে যেয়ে উনারা বলতেছিলো সিট খালি নেই। পরে একজন আয়াকে ৫০০ টাকা দিতেই উনি ভিতরে গিয়ে নিজে কেমনে কী করে আসলো। সিট পেয়ে গেলাম

ঘুষ দিয়েছি
সিলেট ৳৫০০
২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মন্তব্য
সরকারি হাসপাতাল

ছাড়পত্র

কিডনি বিভাগে ভর্তি হয়েছি। তারপর ছাড়পত্র আনার সময় ওয়ার্ল্ড বয় চা নাস্তা বাবদ কিছু টাকা দাবি করে।। তারপর তা পরিশোধ করি।

ঘুষ দিয়েছি
খুলনা মেডিকেলে ৳১০০
২৪ আগস্ট ২০২৬
মন্তব্য