MRP to E passport বাধ্য হয়ে ঘুষ দিতে হয়েছে

প্রথমে আমার কাছে পাসপোর্ট করার জন্য ১৫০০০ টাকা চায় আমি তারপর ওইটা পরিশোধ করি শুধু আমার সমস্যা ছিল নামের মধ্যে আমার আগে মোঃ/ফ্যামিলির নাম ছিল না কিন্তু ভোটার আইডি তে সব ঠিক আছে পাসপোর্ট এর সাথে ভোটার আইডি মিল নেই তাই এম আর পি থেকে ই পাসপোর্ট করার জন্য আবেদন করেছিলাম তো ওনারা আমার ফিঙ্গার সবকিছু নিয়ে আমার ফাইল জামা নেয় তারপর দশ দিন পরে বলে আপনার ফাইলটা ঢাকাতে আটকে আছে আপনাকে আরো ২০ হাজার টাকা দিতে হবে আমি দিয়ে দেই তারপরে বলে না এটা হয়নি আপনাকে আরো টাকা দিতে হবে তারা আরো ৩০০০০ টাকা দাবি করে আমি 15000হাজার টাকাও দিয়ে দেই তারা কয়েকদিন পরে শুনি ওই লোক নাকি ট্রান্সফার হয়ে খুলনা চলে গেছে তো আমি কি করলাম ওটা তো আর হবে না এপ্লিকেশন উইড্রো করে ময়মনসিং গিয়ে ১৫০০০ টাকা দিয়ে এমআর পি করে নিলাম,

বিবরণ
টাকার পরিমাণ ৳৫০,০০০
যে কাজের জন্য MRP to E passport
দপ্তর পাসপোর্ট অফিস
বিভাগ ঢাকা
থানা / উপজেলা Tangail
রিপোর্টের তারিখ ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
কতজন দেখেছেন ১ বার
এই দপ্তরের সব রিপোর্ট
মন্তব্য

মন্তব্য

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।

মন্তব্য সবাই দেখতে পাবে। নাম না দিলে বেনামী হিসেবেই থাকবে। কারও নাম, ঠিকানা বা ফোন নম্বর লিখবেন না।

একই দপ্তরের আলোচিত রিপোর্ট

পাসপোর্ট অফিস

পাসপোর্ট

আমি একজন স্টুডেন্ট আমি আবেদন করার সময় লেবার সিলেক্ট করি ভুলে এখন নাকি লেবার তার ডকুমেন্টস লাগবে আমার জানা মতে এমন কোন ডকুমেন্টস হয় না এটা তাদের জানালে তারা একটা নাম্বার দেয় এবং তার সাথে যোগাযোগ করতে বলে পরে যোগাযোগ করলে ৩৫০০ টাকা দাবি করে অবশেষে টাকা দিলে পরে আমার পাসপোর্ট এর কগজ এবং ফিঙ্গার নেয়

ঘুষ দিয়েছি
ঝালকাঠি ৳৩.৫ হাজার
১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৪৫
মন্তব্য
পাসপোর্ট অফিস

পাসপোর্ট তৈরির জন্য ফিঙ্গার এবং ছবি উঠানো

ঘটনাটা এই বছরের নয় গত বছরের। আমার IELTS পরীক্ষার জন্য পাসপোর্টের প্রয়োজন ছিল। অনলাইনে আবেদন সাবমিট করে যেদিন ফিঙ্গার ও ছবি উঠানোর জন্য যাই সেদিন সমস্ত কাগজ ঠিক থাকার পরেও আমাকে ফেরত পাঠানো হয়। পরবর্তীতে আমার পরিচিত একজন আত্মীয়ের মাধ্যমে পাসপোর্ট অফিসের সামনে অবস্থিত কম্পিউটারের দোকানের মাধ্যমে উপরে উল্লেখিত নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা প্রদান করি। পরবর্তীতে জানতে পারি ওখানে অবস্থিত সকল টেক দোকানগুলোর কাজ হলো এটা।

ঘুষ দিয়েছি
বগুড়া ৳১.১ হাজার
২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মন্তব্য