সমাধান
টাকা দিলে সমাধান করে দিবে নাতো জমি পাব না, জোর করে দখল করে নিচ্ছে তাও সমাধান করে দিবে না।
জমির নাম জারি বা খারিজ খতিয়ান করতে ইউনিয়ন ভুমি অফিসে গিয়েছিলাম। 10 টা থেকে বিকাল 5 পর্যন্ত অফিসে বসেছিলাম। দালাল ধরিনি বলে কাজ হচ্ছে না। পাঁচটার পর অনেক অনুরোধ করার পর ইউনিয়ন ভুমি অফিস তাদের অফিশিয়াল কাজ করে খারিজা আবেদনের কপিটি আমাকে দেয়।পরে বলে আপনি এসিলেন্ট অফিসে গেলে কাজ হবেনা। আমরা অফিস থেকে নিয়ে যাব কাগজ রেডি করে দিব করচ পাতি দিতে হবে।আমি বল্লাম স্যার কত দিতে হবে? সে বল্ল 16۰۰۰ টাকা। আমি বল্লাম এতো টাকা কেন সরকারি ফি তো 11۷۰ টাকা মাত্র। স্যার বল্ল আমাদের দারা না করিলে আপনি কাগজ নিয়ে জমা দেন আপনার আবেদন বাতিল হয়ে জাবে। আমি বলি আমার কাছে এতো টাকানেই আমি নিজে গিয়ে এসিলেন্ট অফিসে জমা দিয়ে আসি। স্যার বল্ল ঠিক আছে আপনি বড় (ন্যায়েব)স্যারের খরচ দিয়ে যান। আমি বলি কত সে বলে 1500 টাকা। পরে তাই
টাকা দিলে সমাধান করে দিবে নাতো জমি পাব না, জোর করে দখল করে নিচ্ছে তাও সমাধান করে দিবে না।
বিডিএস জরিপ এর জন্য ১ লক্ষ টাকা চেয়েছিলেন। ৩০০০০/= টাকা দিয়ে কাজ করানো হয়েছে। এভাবে প্রত্যেকের কাছ থেকে টাকা নিয়ে কাজ করা হচ্ছে।
যৌথ বাড়ি নির্মাণ ও নকশা, প্লান পাশ অনুমতি জন্য। বাড়ি নির্মাণ অনুমতি পেতে নামজারিসহ যৌথ নির্মাণ অনুমতি, ভাঙ্গা গড়ার অনুমতি পেতে।
ভূমি কর দিতে আব্বা গিয়েছিল। কিন্তু আমাদের Tax. গত বছরেরই সব পরিশোধ করা হয়েছিল। আব্বা সাধারণ মানুষ। ১০ টাকার একটা স্লিজ বের করে ২০০ টাকা নিয়েছে। গতবছর আমার আব্বাকে বলেছিল মোট ১৪ হাজার টাকা লাগবে। আমি সেই কাহ্জ চলতি বছর ফেব্রুয়ারিতে ৫২৬৫ টাকায় করেছি
মন্তব্য ০
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।