নতুন পাসপোর্ট ঘুষ দিতে অস্বীকার করা হয়েছে

পাসপোর্ট করতে গেলে যদি কোন ভুলত্রুটি কিংবা কোন একটা কাগজ কম থাকে অথবা সে ক্ষেত্রে সাধারণ মানুষ করতে পারে না কিন্তু একই কাগজপত্র দিয়ে দোকানদারের ফোন কল কিংবা দালালদের মাধ্যমে কাজ করলে খুব সহজেই কাজ করা যাচ্ছে বাড়তি টাকা গুনতে হচ্ছে। এক্ষেত্রে সরাসরি পাসপোর্ট এর লোকজন জড়িত। আমার পরিচয়পত্র অনলাইন টা ছিল না, তার জন্য আমার কাছ থেকে পরে এসে টাকা ভরতি চায় এবং তারা ম্যানেজ করে দিতে চেয়েছিল। ব্যাপারটা তাদের একটা ফোন কলের মাধ্যমে সকল সমস্যার সমাধান হয়ে যায়। সে ক্ষেত্রে সাধারণ মানুষ ভোগান্তির মধ্যে আছে। আরো বিভিন্ন ধরনের সমস্যা আছে তবে আমার ক্ষেত্রেই একটা ঘটেছে। সংক্ষিপ্তভাবে বলতে গেলে টাকার মাধ্যমে সহজ হচ্ছে তবে অতিরিক্ত টাকা গুনতে হচ্ছে।

বিবরণ
টাকার পরিমাণ ৳১,৫০০
যে কাজের জন্য নতুন পাসপোর্ট
দপ্তর পাসপোর্ট অফিস
বিভাগ ময়মনসিংহ
থানা / উপজেলা শেরপুর
রিপোর্টের তারিখ ২৯ আগস্ট ২০২৬
কতজন দেখেছেন ১ বার
এই দপ্তরের সব রিপোর্ট
মন্তব্য

মন্তব্য

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।

মন্তব্য সবাই দেখতে পাবে। নাম না দিলে বেনামী হিসেবেই থাকবে। কারও নাম, ঠিকানা বা ফোন নম্বর লিখবেন না।

একই দপ্তরের আলোচিত রিপোর্ট

পাসপোর্ট অফিস

পাসপোর্ট

আমি একজন স্টুডেন্ট আমি আবেদন করার সময় লেবার সিলেক্ট করি ভুলে এখন নাকি লেবার তার ডকুমেন্টস লাগবে আমার জানা মতে এমন কোন ডকুমেন্টস হয় না এটা তাদের জানালে তারা একটা নাম্বার দেয় এবং তার সাথে যোগাযোগ করতে বলে পরে যোগাযোগ করলে ৩৫০০ টাকা দাবি করে অবশেষে টাকা দিলে পরে আমার পাসপোর্ট এর কগজ এবং ফিঙ্গার নেয়

ঘুষ দিয়েছি
ঝালকাঠি ৳৩.৫ হাজার
১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৪৫
মন্তব্য
পাসপোর্ট অফিস

পাসপোর্ট তৈরির জন্য ফিঙ্গার এবং ছবি উঠানো

ঘটনাটা এই বছরের নয় গত বছরের। আমার IELTS পরীক্ষার জন্য পাসপোর্টের প্রয়োজন ছিল। অনলাইনে আবেদন সাবমিট করে যেদিন ফিঙ্গার ও ছবি উঠানোর জন্য যাই সেদিন সমস্ত কাগজ ঠিক থাকার পরেও আমাকে ফেরত পাঠানো হয়। পরবর্তীতে আমার পরিচিত একজন আত্মীয়ের মাধ্যমে পাসপোর্ট অফিসের সামনে অবস্থিত কম্পিউটারের দোকানের মাধ্যমে উপরে উল্লেখিত নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা প্রদান করি। পরবর্তীতে জানতে পারি ওখানে অবস্থিত সকল টেক দোকানগুলোর কাজ হলো এটা।

ঘুষ দিয়েছি
বগুড়া ৳১.১ হাজার
২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মন্তব্য